কলকাতার ডিরেক্টরেট অফ আইসিডিএস অফিসে এক প্রভাবশালী কর্মীর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়া এবং নারী কেলেঙ্কারির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে….
পেনশন ফাইল হোক বা হেল্থ স্কিম পকেটে মোটা টাকা না ফেললে ফাইল গলে না ওনার থেকে! এমনই খবর জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। হোম কোটায় চাকরি তারপরেই বিরাট কেউকেটা সেজে বসে দিব্যি বসে রয়েছেন সরকারি অফিসে। ওনার চাপে ওষ্ঠাগত কর্মীদের প্রাণ। শুধু এতেই শেষ নয়, মহিলা ঘটিত ব্যাপারেও নাকি জুড়িমেলা ভার তার এমন খবরও ঘুরপাক খায় অফিসের অন্দরেই। বেশ কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছিল তার কু-কীর্তির খবর। কোনও এক হাঁটুর বয়সি মেয়েকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছিলেন তিনি। পরে অবশ্য অভিযোগকারীকে টোপ দিয়ে সরিয়ে ফেলেন সেই পোস্ট। খোদ কলকাতার ডিরেক্টরেট অফ আইসিডিএস অফিসের ঘটনা।
এখানেই শেষ নয়, সরকারি চাকরির আড়ালে দিব্য চলছে বেআইনি কোঅপারেটিভও এর মাথাও তিনি। কোনও পেনশন কেস ঢুকলে টাকা না পাওয়া পর্যন্ত রীতিমতো নাকানিচোবানি খাইয়ে দেন সাধারণ অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের। আদতে ডিপিও অফ কলকাতার কর্মী কিন্তু ডেপুটেশনে বসেন শৈশালীতে। তৎকালীন সরকারের আমলে দিব্যি চলছিল তার এই রমরমা বাজার। এই সরকার আসতেই আবার নাকি তিনি দল বদলেছেন। কিন্তু তাতে কী! তার কেচ্ছা রীতিমতো ফাঁস হয়ে গিয়েছে অফিসের কোণায় কোণায়।
কোনও কারণে তার কাছে কাজের জন্য গেলে অত্যন্ত দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন কর্মীরা। মুখে কিছু বলতে গেলও ক্ষমতার প্রভাব দেখান বলে খবর। বিজেপি সরকার আসার পরে রীতিমতো দাদাগিরির ধরপাকড় চলছে। তাই এবার তার দাদাগিরি বন্ধ হবে কবে তা দেখতেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ারের কর্মীরা। সরকার তো বদলে গেল এবার পাশাপাশি এইধরনের অপরাধীমুক্ত অফিস পরিবেশ তৈরি ঠিক কবে হবে তা জানতে মরিয়া সরকারি কর্মীরা। ঠিক কবে মানুষের প্রাপ্য টাকা বুঝে নিতে এই 'নাথ বাবুর' মতো লোকের 'দাদাগিরির' কবলে পড়তে হবে না তা দেখতেই আশায় দিন গুনছেন সকলে।
