Gurmukhi Superfast Express: হিমাচল প্রদেশের আম্ব আন্দাউরা থেকে কলকাতা পর্যন্ত নতুন গুরুমুখী সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (ট্রেন নম্বর ১২৩২৫/১২৩২৬) চালু হয়েছে। এই সাপ্তাহিক ট্রেন পরিষেবাটি হিমাচলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে, ফলে পর্যটন, ব্যবসা এবং তীর্থযাত্রার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Gurmukhi Superfast Express: হিমাচল প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য একটি বড় সুবিধা চালু করা হয়েছে। উনা জেলার আম্ব আন্দাউরা রেল স্টেশন থেকে কলকাতা পর্যন্ত এখন সরাসরি ট্রেন পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে। হামিরপুরের সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের উদ্বোধনের পর এই রুটে গুরুমুখী সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (ট্রেন নম্বর ১২৩২৫/১২৩২৬) চলাচল করছে। এই নতুন ট্রেন পরিষেবাটি দূরপাল্লার যাত্রার সময় যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং উন্নত সংযোগ মিলবে।

ট্রেনের সময়সূচী কী?
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই ট্রেনটি প্রতি শনিবার সকাল ৬:১০ মিনিটে আম্ব আন্দাউরা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে এবং প্রায় ৩২ ঘণ্টায় যাত্রাটি সম্পন্ন করবে। ফিরতি যাত্রায়, ট্রেনটি প্রতি বৃহস্পতিবার সকাল ৭:৪০ মিনিটে কলকাতা চিতপুর স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে এবং পরের দিন বিকেল ৪:৫৫ মিনিটে আম্ব আন্দাউরায় পৌঁছাবে।
যে স্টেশনগুলিতে এই ট্রেনটি থামবে
এই ট্রেনটি আসানসোল, পাটনা জংশন, পণ্ডিত দীন দয়াল উপাধ্যায় জংশন, বারাণসী, লখনউ, বরেলি, মোরাদাবাদ এবং সাহারানপুরের মতো প্রধান স্টেশনগুলির মধ্যে দিয়ে যাবে।
কারা উপকৃত হবেন?
এই নতুন রেল পরিষেবাটি হিমাচল প্রদেশের উনা, হামিরপুর, কাংড়া এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের পূর্ব ভারতের মধ্যে ভ্রমণের জন্য একটি উন্নত এবং আরও সুবিধাজনক বিকল্প মিলবে। দূরপাল্লার ভ্রমণ এখন আরও সহজ এবং কম সময়সাপেক্ষ হবে।
এই ট্রেন চালু হওয়ার ফলে ধর্মীয় তীর্থযাত্রা, শিক্ষা, ব্যবসা এবং পর্যটনও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মানুষ এখন কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতে সহজে যাতায়াত করতে পারবে। আপনি যদি এই রুটে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে এই সুপারফাস্ট ট্রেনটি একটি ভালো এবং আরামদায়ক বিকল্প হতে পারে।
আম্বালা এবং চণ্ডীগড় পর্যন্তও ট্রেন চলতে পারে
অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন যে ভবিষ্যতে আম্বালা এবং চণ্ডীগড় থেকে উনা পর্যন্ত কিছু ট্রেন পরিষেবা সংযোগ করার চেষ্টা করা হবে। তিনি আরও বলেন যে, সরকার হিমাচলে রেল পরিষেবার উন্নতি ও আধুনিকীকরণের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো ভবিষ্যতে মানুষের যাতায়াতকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলবে।


