চার বছরের ছেলেকে নিয়ে তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন গৃহবধূ। খোঁজ চালাচ্ছিল পরিবারও। শেষ পর্যন্ত দিঘার হোটেল থেকে উদ্ধার হল তাঁর ঝুলন্ত দেহ। গৃহবধূর রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হলেও তাঁর ছেলেকে অবশ্য অক্ষত অবস্থাতেই হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক গৃহবধূর সঙ্গে থাকা এক যুবক। 

মৃত ওই গৃহবধূর নাম পিয়ালী দেঁড়ে (২০)। তিনি ডানকুনির ক্ষুদিরাম পল্লীর বাসিন্দা।বধুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত ১০ নভেম্বর থেকে চার বছরের ছেলেকে নিয়ে নিখোঁজ ছিলেন। পিয়ালির পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে তিনি নিজের বোনকে মেসেজ করে দিঘায় থাকার কথা জানান। তাঁর সঙ্গে চার বছরের ছেলে ছাড়াও এক যুবক রয়েছে বলেও মেসেজে জানান ওই গৃহবধূ। পরিবারের দাবি, বোনকে পাঠানো মেসেজে নিজের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন পিয়ালী। দিঘার হোটেল থেকে চার বছরের ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্যও অনুরোধ করে সে। 

ওই মেসেজ পাওয়ার পর পরই পরিবারের তরফে পিয়ালীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ফোনে না পেয়ে বুধবার সকালে ডানকুনি থানায় যান তাঁরা। ততক্ষণে দিঘা থানার মাধ্যমে ডানকুনি থানায় পিয়ালীর মৃত্যুসংবাদ পৌঁছে গিয়েছে। জানা যায়, হোটেলের ঘর থেকেই পিয়ালীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। যদিও, তাঁর হাত রুমাল দিয়ে বাঁধা ছিল। 

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই গৃহবধূকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। মৃতার শিশুপুত্রের সঙ্গেও কথা বলে সেরকমই ইঙ্গিত পেয়েছেন তদন্তকারীরা। হুগলির সিঙ্গুরের বারুইপাড়া অঞ্চলের এক যুবকের সঙ্গে পিয়ালী দিঘায় গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে দিঘায় পৌঁছন পিয়ালীর স্বামী এবং পরিবারের সদস্যরা। পলাতক যুবকের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।