Asianet News BanglaAsianet News Bangla

একজন হতে চায় ডাক্তার, অন্যজন বিজ্ঞানী, করোনা-বিশ্বে মানব সেবায় তৈরি হচ্ছে মাধ্যমিকের দুই দ্বিতীয়

অভীক দাসের লক্ষ্য ডাক্তার হওয়া

সায়ন্তন গড়াই চায় বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে

দুজনেই ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছেন

কী বলছেন তাঁরা

Know Abhik Das and Sayantan Gadai, who stood second in Madhyamik 2020
Author
Kolkata, First Published Jul 15, 2020, 1:48 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

বুধবার সকালে প্রকাশ হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২০-র ফল। প্রথম স্থান অধিকার করেছেন বর্ধমানের অরিত্র পাল। ফল জানার পর কীরকম অনুভূতি হয়েছিল? কী নিয়ে পড়তে চায় সে?

একজনের লক্ষ্য ডাক্তার হওয়া। আরেকজন বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে চান মানব জাতির কল্যাণে কাজ করতে। প্রথমজন অভীক দাস, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশনের ছাত্র। আর পরের জন বাঁকুড়ার ওন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সায়ন্তন গড়াই। দুজনের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিল, দুজনেই ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৯৩ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন।  

পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতেই বাড়ি অভীকের। প্রিটেস্ট, টেস্টের ফল ভালো থাকায় মাধ্যমিকের ফল-ও ভালো হবে এই বিশ্বাস তাঁর ছিল। কিন্তু একেবারে মেদাতালিকার দ্বিতীয় স্থানে নাম থাকবে, এতটা আশা করেননি বলেই জানিয়েছেন তিনি। তবে এমনি এমনি তো আর এই সাফল্য আসেনি, প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে অভীককে। মাধ্যমিকের আগে প্রস্তুতির জন্য গড়ে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পড়তেন। তবে শুধু তিনিই নন, অভীক জানিয়েছেন তাঁর সাফল্যের জন্য বাবা-মাও কম পরিশ্রম করেননি। সেই সঙ্গে ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, বিশেষ করে গণিতের শিক্ষক।

বাঁকুড়ার ওন্দা-র ছেলে সায়ন্তনের কাছেও এই ফলাফল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল৷ তিনি এই সাফল্যের কৃতিত্ব পুরোপুরি দিয়েছেন তাঁর বাবা-মা'কে। খুব সহজেই জটিল জিনিস বুঝিয়ে দিতে পারেন, তাই বাবার কাছেই বিজ্ঞানের বিষয়গুলি পড়তেন তিনি৷ তবে অন্যান্য বিষয়গুলির প্রত্যেকটির জন্যই আলাদা আলাদা গৃহশিক্ষক ছিলেন।

পড়াশুনার বাইরে অভীক বই পড়েন, গান শোনেন, টিভি দেখেন আবার গেম-ও খেলেন। তবে কোনওটাই পড়াশোনাকে অবহেলা করে নয়। আর সায়ন্তনের পড়াশোনার বাইরে আনন্দের বিষয় হল গল্পের বই পড়া আর  ক্রিকেট খেলা৷

তাঁরা যখন পরীক্ষা দিয়েছিলেন পৃথিবী একরকম ছিল। মাঝের কয়েক মাসে করোনাভাইরাস মহামারির জেরে সেই চেনা পৃথিবীটা অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। এতদিন ধরে অবহেলিত থাকা ডাক্তার, চিকিৎসাকর্মী, বিজ্ঞানীরা - নায়কের সম্মান পাচ্ছেন। এই অবস্থায় রাজ্যের এই দুই কৃতী ছাত্রও ভবিষ্যতে মানব সেবার কাজেই নিযুক্ত হতে চায়। অভীক জানিয়েছে সব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে পড়লেও তিনি সবচেয়ে আনন্দ পেতেন জীববিদ্যা পড়তে গিয়ে, কারণ সেটাই তাঁর প্রিয় বিষয়। আর বাবার কাছে বিজ্ঞান পড়তে পড়তে বিজ্ঞানের প্রতি আলাদা ভালোবাসা তৈরি হয়েছে সায়ন্তনেরও৷ অভীক চায় ডাক্তার হতে আর সায়ন্তনের ইচ্ছা বিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণা করা। তাই মাধ্যমিকের ফলাফলে দারুণ খুশি হলেও দুজনেই লক্ষ্যপূরণের পথে দৌড়নো শুরু করে দিয়েছে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios