শনিবার দুপুরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিনত হয় ধর্মতলা চত্বর। ভাঙরের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে একপ্রকার টেনে হিঁচড়েই গাড়িতে তোলে পুলিশ।

সপ্তাহান্তে ধুন্ধুমার তিলত্তমায়। শহরের প্রাণকেন্দ্রেই পুলিশ বনাম আইএসএফ খণ্ডযুদ্ধ। ভাঙরের বিক্ষোভের আঁচেই শনিবার স্তব্ধ হয়ে গেল মধ্য কলকাতার যান চলাচল। শনিবার কলকাতায় আইএসএফের সভা পূর্বনির্ধারিতই ছিল। এদিন সভায় ভাঙরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখায় আইএসএফের কর্মীরা। বিক্ষোভ চলাকালীন আচমকা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পালটা আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠে বিক্ষোভকারীরায়। শনিবার দুপুরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিনত হয় ধর্মতলা চত্বর। ভাঙরের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে একপ্রকার টেনে হিঁচড়েই গাড়িতে তোলে পুলিশ। উন্মত্ত জনতাকে আটকাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। অন্যদিকে বাঁশ, লাঠি নিয়ে পুলিশকে তারা করার অভিযোগ আইএসএফের কর্মীদের বিরুদ্ধে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ভাঙরে তৃণমূলের হামলার প্রতিবাদে শনিবার রাস্তায় বলে অবস্থান বিক্ষোভ দেখায় আইএসএফ-এর কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদ্র ছত্রভঙ্গ করতে আচমকাই লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পুলিশকে লক্ষ্য করে পালটা চটি, পাথর ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনায় আহত হন বিক্ষোভকারীদের পাশাপাশি একাধিক পুলিশকর্মীও। আহত হন বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের কর্মীও।

তৃণমূল আইএসএফ সংঘর্ষে সকাল থেকেই উত্তপ্ত ভাঙর। দুই দলেরই আহত একাধিক কর্মী। তৃণমূল এবং আইএসএফ, একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ তোলে। শনিবার সকালে কলকাতায় দলীয় সভা ছিল আইএসএফ-এর। সেদিনও আইএসএফ-এর কর্মীদের তৃণমূল নেতার উপস্থিতিতে মারধর করার অভিযোগ তোলা হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ খারিজ করা হলেও তৃণমূল নেতাদের উপস্থিতিতেই এ সব ঘটেছে বলে দাবি করেছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।