মৃত্যুর কারণ করোনা নয় তো? মৃতদেহ সৎকারকে ঘিরে এবার ধুন্ধুমারকাণ্ড উত্তর ২৪ পরগণার ভাটপাড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের  বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। রাতভর অশান্তি চলল মুক্তারপুর শ্মশানে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে বিস্ফোরণ, বরাতজোরে রক্ষা পেলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

তখন প্রায় মধ্যরাত। বৃহস্পতিবার এক মৃতদেহ দাহ করার জন্য ভাটপাড়ার মুক্তারপুর শ্মশানে পৌঁছন বেশ কয়েকজন। ঘটনাটি নজরে পড়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। এলাকাবাসীর মনে সন্দেহ হয়, মৃতদেহটি নিশ্চয়ই করোনা আক্রান্তের। ব্যস আর যায় কোথায়! মুহুর্তের মধ্যে শ্মশানে জড়ো যান আশেপাশের লোকজন। মৃতদেহ সৎকার যখন বাধা দেওয়া হয়, তখন পরিবারের লোকেরা জানান, করোনায় মৃত্যু হয়নি। তাহলে মাঝরাতে কেন দাহ করা হচ্ছে? পাল্টা প্রশ্ন তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দু'পক্ষের মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। খবর পেয়ে শ্মশান পৌঁছয় ভাটপাড়া থানার পুলিশ। তখন রীতিমতো মারমুখী হয়ে ওঠে জনতা। বোঝানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর কার্যত বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। শেষপর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে মৃতদেহটি দাহও করা হয়।

আরও পড়ুন: 'তুমি রবে নীরবে', সুশান্ত সিং রাজপুতের 'মৃত্যুর শোকে' আত্মঘাতী উত্তরপাড়ার তরুণী

উল্লেখ্য, করোনা আতঙ্কে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সমস্যায় পড়ছেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। দিন কয়েক আগে আবার পুরসভার গাড়ি করে  এনে বেওয়ারিশ দেহ দাহকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় গড়িয়া শ্মশানে। শেষপর্যন্ত করোনা সন্দেহে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাহকাজ করা যায়নি। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্যে।