গ্রাহকরাই কি খোলা বাজারে বিক্রি করছেন? রাইস মিলের সামনে মিলল আট বস্তা চাল সেই চাল বিলি করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনায় শোরগোল পড়েছে বাঁকুড়া শহরে

রেশনের চাল কি খোলা বাজারে বিক্রি করছেন গ্রাহকেরই একাংশ? দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও মালিকের সন্ধান মেলেনি। স্থানীয় একটি রাইস মিলের সামনে থেকে আট বস্তা চাল তুলে এনে বিলি করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনায় শোরগোল পড়ে দিয়েছে বাঁকুড়া শহরে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুুন: রেলের মানবিকতার 'মাশুল', স্পেশাল ট্রেনে মৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের শিশুসন্তানের

তখন করোনা সতর্কতায় লকডাউন চলছে। যাঁদের বিপিএল কার্ড আছে, রেশন থেকে তাঁদের বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিলি করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে সরকার। কোথাও রেশনে কারচুরি, তো কোথাও আবার নিম্নমানের সামগ্রী দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অবরোধ-বিক্ষোভ চলে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের। জনরোষের মুখে পড়েন রেশন ডিলাররাও। মুর্শিদাবাদের সালারে ডিলারের বাড়ির সামনে আগুন জ্বালিয়ে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আনলক পর্বেও কিন্তু রেশন থেকে বিনামূল্যে চাল পাচ্ছেন গ্রাহকরা। আর সেই চালই কি মুদিখানার দোকান গিয়ে বদলে নিচ্ছেন কিংবা বিক্রি করে মশলাপাতি কিনছেন কেউ কেউ?

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। বাঁকুড়া শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে পাটপুর এলাকায় একটি রাইস মিলের সামনে আট বস্ত চাল পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কে চাল রেখে গেল? এলাকাবাসীর অভিযোগ, রেশনের চাল স্থানীয় মুদিখানার দোকানে গিয়ে বদলে নিচ্ছেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার নগদ টাকা বিক্রিও করছেন। মুদির দোকান থেকে সেই চাল চলে যাচ্ছে রাইস মিলে, সেখান থেকে রেশনের দোকানে। বস্তুত, পাটপুরে রাইস মিলের সামনে যে আট বস্তা চালের হদিশ মেলে, সেই চালের মালিকের সন্ধান না মেলায় সন্দেহ আরও বাড়ে। শেষপর্যন্ত ওই চাল সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর করোনা গোপন স্বামীর, হোম কোয়ারেন্টাইনে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ জন কর্মী

জানা গিয়েছে, গ্রাহকরা যে মুদিখানার দোকানে বিক্রি করে দিচ্ছেন, তা আগেই টের পেয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুদির দোকানের মালিকদের সতর্কও করে দেন তাঁরা। তারপরে এক দোকান মালিক রেশনের চাল কিনে রাইস মিলে বিক্রি করতে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।