হুগলিতে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন যাত্রাকে কেন্দ্র করে ধুন্দুমার কাণ্ড । এদিন হুগলি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন যাত্রা উপলক্ষে ভদ্রেশ্বর থেকে এক বিশাল বাইক মিছিল বের হয়।  জিটি রোড ধরে  ত্রিবেণী কালীতলা পর্যন্ত  প্রায় ২৫ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে বিজেপির এই সুদীর্ঘ মিছিল। তবে এই মিছিল  চুঁচুড়া তালডাঙা পৌঁছতেই আটকায় পুলিশ। লকেট নিজে ছিলেন একটি স্কুটিতে। 

পুলিশের বক্তব্য বিজেপির বাইক মিছিলের অনুমতি নেই ।  যা মানতে চায়নি বিজেপির লোকজন। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি লেগে যায় বিজেপি কর্মীদের । যদিও পুলিশ সাংসদকে আটকাতে পারেননি ।  জোর করে  নিজে স্কুটি চালিয়ে বেরিয়ে যান হুগলি বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বাইক মিছিল আটকাতে তালডাঙা এসিপি ওয়ান পলাশ ঢালি র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ও র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে বেশকিছু বাইককে আটকাতে সক্ষম হয় পুলিস। পুলিশকে গাল দেওয়ার অভিযোগে এক বিজেপি কর্মীকে লাঠিপেটা করে থানায় নিয়ে যায় চুচূড়া থানার পুলিশ ।  তাঁদের মিছিল আটকানোকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ লকেট বলেন, পুলিশ কেন আটকাচ্ছে  মিছিল ?

মানুষ কে সঠিক বোঝানোর জন্য এই মিছিল । এন আর সি নিয়ে বিরোধী পার্টি গুলো মানুষ কে ভুল বোঝাচ্ছে । আর বলছে মিছিলের পারমিশন নেই ? কিসের পারমিশন ? আমি সাংসদ । জনগণের ভোটে জিতে এসেছি এরা আমাকেই পারমিশন দেয় না ! এটা শান্তিপূর্ণ মিছিল,মানুষের আনন্দের মিছিল। এতে আবার পারমিশন কি ? প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন যাত্রা কর্মসূচিতে এসে জেএনইউ নিয়ে লকেটের প্রশ্ন করা হলে তাঁর বক্তব্য,যা হয়েছে নিজেদের মধ্যে হয়েছে। ভালো ছাত্রদের পরীক্ষা দিতে চাইলে তাঁরা বলছেন পরীক্ষা বয়কট করতে। ভালো ছেলেরা পরীক্ষা বয়কট করতে চায় না,তাই নিজেদের মধ্যে ঝামেলা থেকে এসব হয়েছে।এখন এবিভিপির উপর দোষ চাপাচ্ছে।তদন্ত হোক সত্যিটা বেড়িয়ে আসবে॥ 

অন্যদিকে অন্যায় ভাবে তাঁদের মিছিল আটকে দেওয়া হয়েছে বলে ভদ্রেশ্বর গেট বাজার মুখে জিটি রোডের ওপর পথ অবরোধ করে বিজেপির একদল সমর্থক । পুলিশ  তাঁদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় । খবর পেয়ে দলীয় অনুষ্টান শেষ করেই লকেট তাঁদের মুক্ত করতে ভদ্রেশ্বর থানায় ছুটে যান । এই মুহূর্তে লকেট থানায় আছেন ।