তৃণমূলের মহিলা সংগঠনের সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল মালা রায়কে। তাঁর জায়গায় এই পদে নিয়ে আসা হয়েছে আলিফা আহমেদকে। বিধানসভা ও সংসদে তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহের জেরে দলের সব কমিটি ভেঙে দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই নতুন কমিটি গঠন করেছিলেন।

তৃণমূলের মহিলা সংগঠনের সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল মালা রায়কে। তাঁর জায়গায় এই পদে নিয়ে আসা হয়েছে আলিফা আহমেদকে। বিধানসভা ও সংসদে তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহের জেরে দলের সব কমিটি ভেঙে দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই নতুন কমিটি গঠন করেছিলেন। যদিও পরে জানা যায় সাংসদ মালা রায় (Mala Roy) ও সাংসদ সায়নী ঘোষকে (Sayani Ghosh) বিক্ষুব্ধ সাংসদদের চিঠিতে সই করেছেন। অর্থাৎ তাঁরা বিদ্রোহীদের গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছেন। দলের অন্দরে নতুন কমিটির এই দুই পদাধিকারীকে নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল মহিলা সভানেত্রীর পদ থেকে মালা রায়কে সরিয়ে আলিফা আহমেদের (Alifa Ahmed) নাম ঘোষণা করা হল দলের তরফে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তৃণমূল রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের (Chandrima Bhattacharya) স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তৃণমূল রাজ্য মহিলা সভানেত্রী হিসাবে নদিয়ার কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদের (Alifa Ahmed) নাম ঘোষণা করা হল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। দ্রুত তাঁকে দায়িত্বভার গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তৃণমূল কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী হিসাবে সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) নিযুক্ত করা হয়েছে।

কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে তালিকা স্পিকারের কাছে জমা পড়েছে, তাতে নাম রয়েছে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, মিতালি বাগ, আবু তাহের খান, মথুরাপুরের বাপি হালদার, হাওড়ার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, কোচবিহারের জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, বোলপুরের অসিত মাল, জঙ্গিপুরের খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেন, পার্থ ভৌমিক, শর্মিলা সরকার, অরূপ চক্রবর্তী, দেব, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যা এবং দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়ের।

ধবার রাতে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের আস্থাভাজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক করেন আরও ৪ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ। বৈঠকে ছিলেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ, ও কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়-সহ ৪ জন তৃণমূল সাংসদ। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। মালা রায়কে ২০১৯ সালে কলকাতা দক্ষিণ থেকেই প্রার্থী করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। ২০১৯, ২০২৪ পরপর ২ বার জিতে সংসদে যান মালা রায়।