প্রাণ দিয়ে প্রতিবাদের মাশুল দিলেন এক যুবক। বাড়ির সামনেই তাঁকে কুপিয়ে খুন করল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার তেহট্টে। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি নেমেছে পুলিশ।

মৃত যুবকের নাম পরিতোষ বৈরাগ্য। বাড়ি, তেহট্টের নাটনা এলাকায়।  দিন কয়েক আগে পরিতোষের বাড়ি সামনেই শাগরেদদের নিয়ে মদের আসর বসিয়েছিল শিবু ঘোষ নামে এলাকারই এক যুবক। মৃতের পরিবারের লোকেদের দাবি, বাড়ির সামনের মদের আসর বসানোর প্রতিবাদ করেছিলেন পরিতোষ। মদ্যপদের হটিয়েও দিয়েছিলেন।  অল্প বচসা হলেও তেমন কোনও বড় ঝামেলা হয়নি। পরিবারের লোকেদের দাবি, শুক্রবার রাতে ফের মদ্যপ অবস্থায় বাড়ির সামনে হাজির হয় শিবু ও তার সঙ্গীরা। আশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছিল তারা। তখন অবশ্য বাড়িতে ছিলেন না পরিতোষ। যখন বাড়ি ফেরেন, তখন ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই যুবকের উপর চড়াও হন শিবু ও তার দলবদল। এলোপাথারি কোপানো হয় পরিতোষকে।  চিৎকার শুনে ছুটে আসেন আশেপাশের লোকেরা। ততক্ষণে অবশ্য পালিয়েছে হামলাকারীরা।   রক্তাক্ত অবস্থায় পরিতোষ বৈরাগ্যকে উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে। পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে। কিন্তু ওই যুবককে বাঁচানো যায়নি। কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে মারা যান পরিতোষ।  মূল অভিযুক্ত শিবু ঘোষ ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। 

কয়েক দিন পূর্ব মেদিনীপুরে প্রকাশ্যে মদ্যপানে প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হন এক যুবক। বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধারালো অস্ত্রের কোপে খুন করার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ।  বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।