আইপিএস হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার ভয়ও ছিল। ব্যর্থতার আতঙ্কেই শেষপর্যন্ত কুয়োর ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন এক যুবক। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়িতে।

মৃতের নাম প্রসেনজিৎ দে। বাড়ি শিলিগুড়িতে শহরের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে। বরাবরই মেধাবী ছাত্র ছিলেন তিনি। পরিবারের পরিবারের লোকেরা জানিয়েছে, ছোট থেকে আইপিএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন প্রসেনজিৎ। কলেজের পড়াশোনার শেষ করার আইপিএস-এর প্রবেশিকার পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। জোরকদমে চলছিল শারীরিক অনুশীলন। কিন্তু আচমকাই ঘটল ছন্দপতন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরে আচমকাই এক প্রতিবেশীর বাড়ির কুয়োয় ঝাঁপ দেন প্রসেনজিৎ। মিনিট খানেক পর যখন ঘটনাটি টের পান তাঁরা, তখন দমকলকে খবর দেওয়া হয়। শেষপর্যন্ত অবশ্য দমকল আসার আগে প্রসেনজিৎকে কুয়ো উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় শিলিগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই যুবককে পাঠিয়ে দেওয়া হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে প্রসেনজিৎ দে-কে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

কিন্তু আইপিএস-র প্রবেশিকার পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার মাঝে হঠাৎ করে কেন আত্মহত্যা করলেন প্রসেনজিৎ?  মৃতের মায়ের বক্তব্য, প্রসেনজিৎ বরাবরই পড়াশোনায় মেধাবী ছিল। রেজাল্টও যথেষ্ট ভালই করতেন তিনি। কিন্তু আইপিএস-এর প্রবেশিকা যাতে পরীক্ষায় যদি পাস করতে না পারেন, সবসময় সেই আতঙ্কে ভুগতেন প্রসেনজিৎ।   এলাকায় শোকের ছায়া।