কৌশিক সেন, রায়গঞ্জ-তৃণমূলের প্রতিবাদ সভায় বোমাবাজি-সংঘর্ষ। দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির তৈরি হল গোটা এলাকায়। হাথরস কাণ্ড ও কৃষি আইনের বিরোধিতায় শনিবার প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা জড়ো হতেই সেখানে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

আরও পড়ুন-আধার কার্ড তৈরির নামে টাকা লুঠ, মেদিনীপুরে পুলিশের হানায় প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁস

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়। শনিবার বিকেল তিনটে নাগাদ চোপড়ার লক্ষ্মীপুরে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। উত্তরপ্রদেশের হাথরস-কাণ্ড, কৃষি আইনের বিরোধিতা সহ একাধিক ইস্যুতে লক্ষ্মীপুরে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল চোপড়া ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। নির্ধারিত ওই কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা জড়ো হতেই সেখানে দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রতিবাদ সভায় বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন তিন জন তৃণমূলকর্মী। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়। 

আরও পড়ুন-বিজেপি কর্মীর উপর লাঠি-লোহার রড দিয়ে হামলা, রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত বাসন্তী

হামলার অভিযোগ সিপিএম-কংগ্রেসের বিরুদ্ধে

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পূর্ব নির্ধারিত এই সভায় হামলা ও বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে সিপিএম ও কংগ্রেস জোটের বিরুদ্ধে। দুই দলের জোট আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের ওই প্রতিবাদ সভায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ''তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজহারউদ্দিনের বলেন, তৃণমূলকে এলাকায় মিছিল না করতে দেওয়া এবং লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাস কায়েম করতে তৃণমূলের উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে সিপিএম-কংগ্রেস জোট''। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। তাঁদের পালটা দাবি, ''মিছিলের নাম করে সন্ত্রাস চালানোর জন্য ওই এলাকায় আগে থেকেই বোমা মজুত করেছিল তৃণমূল। সেই বোমা ফেটে জখম হয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা''।