২৬ এপ্রিল নয় ২৪ এপ্রলই হতে পারে পুরভোট। একটি সূত্রে এমনই খবর পাওয়া গিয়েছে। মে মাসের মধ্যেই রাজ্যে ৮০টি-রও বেশি পুরসভা এবং পুরকর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এছাড়াও গত কয়েক বছর ধরে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় পুরবোর্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। সেখানে প্রশাসক বসিয়ে কাজ চলছে। আবার কিছু কিছু পুরসভাকে একসঙ্গে জুড়ে দিয়ে তৈরি করা হয়েছে নতুন পুর-কর্পোরেশন। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ১২৮টি পুরসভা ও পুরকর্পোরেশনে ভোট করতেই হবে।

এই নিয়ে এখন জেলায় জেলায় প্রস্তুতি চলছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনও জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। জেলায় জেলায় নির্বাচন কমিশনের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই প্রস্তুতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রই জানিয়েছে, রাজ্যের ১২৮টি পুরসভার অধিকাংশ-তেই ২৪ এপ্রিল ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। কয়েকটি পুরকর্পোরেশনের ক্ষেত্রে ভোটের তারিখটা ২৬ এপ্রিল হলেও হতে পারে। কারণ, রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে ২৬ এপ্রিল ভোট করা নিয়ে অনুরোধ এসেছে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনায় একটি সভায় একান্ত ঘনিষ্ঠজনদের সামনে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ২৬ এপ্রিলই পুরভোট করার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও একটি সূত্র দাবি করেছে। তবে কমিশন শেষ পর্যন্ত ২৪ তারিখই ভোট করবে বলে সূত্রের দাবি।

পুরভোট নিয়ে বৈঠক করতে সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-কে রাজভবনে ডেকেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বৈঠকে রাজ্যপাল পুরভোট নির্দিষ্ট সময়ে এবং শান্তিপূর্ণভাবে করার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যেই পুরভোটের আওতায় থাকা এলাকাগুলিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে। বেশ কিছু জেলাতে এখনও কাজ শেষ হয়নি। ১ মার্চ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

মনে করা হচ্ছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই পুরভোটের তারিখ ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। সূত্রের খবর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষের দিকে অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই পুরভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। এখন পর্যন্ত যা খবর তাতে ২৪ এপ্রিলের কথা মাথায় রেখেই পুরভোটের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাশাসকদের। সামনে রয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও। পুরভোটের দিন নির্ধারণের সময় এই বিষয়গুলিও নজরে রাখা হয়েছে।