নবান্নের নির্দেশে মুর্শিদাবাদে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ আমলের লন্ডন মিশন হাসপাতাল পুনরায় রবিবার থেকে পুরোদমে খুলল। এবার কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর হয়ে চালু হল হাসপিটাল। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে বহরমপুরের পর জেলায় আরও একটি কোভিড হাসপাতাল চালু করা হল। ওই হাসপাতাল উদ্বোধন অন্যনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আবু তাহের খান,জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রশান্ত বিশ্বাস এবং আজিমগঞ্জ জিয়াগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ মনু। 

পরে সাংসদ বলেন,"জেলার ঐতিহ্য মন্ডিত লন্ডন মিশন হাসপাতাল দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৎপরতায় কোভিড হাসপাতাল হিসেবে চালু করা হলো।করোনা কাল শেষ হলে হাসপাতালটি সাধারণ হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে।স্বাভাবিকভাবেই এই হাসপাতালটি চালু হওয়ায় এলাকার মানুষ খুশি হয়েছেন"।জেলায় প্রতিনিয়ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে । সেকথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ মতো জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জ পুরসভা পরিচালিত বন্ধ থাকা লন্ডন মিশন হাসাপাতাল কে কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

১০৫ শয্যা বিশিষ্ট ওই হাসপাতালে চালু হওয়ায় ৩০০ বেডের বহরমপুর কোভিড হাসপাতাল চাপ মুক্ত হবে। সেক্ষেত্রে রোগীরা আরও বেশি ভালো পরিষেবা পাবেন রোগীরা এমনটায় দাবি করেছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রশান্ত বিশ্বাস। তিনি বলেন, বহরমপুর,জিয়াগাঙ কোভিড হাসপাতাল ছাড়াও জেলায় মোট ৫টি সেফ হোম রয়েছে।ঐ সেফ হোম গুলিতে ১০০জন আকান্তের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।ফলে করোনা আক্রান্ত হলে চিকিৎসা না পাওয়ার কোন পরিস্থিতি নেই"।এ হাসপাতালে ১২জন চিকিৎসক,১৮জন স্টাফ নার্স,ছাড়াও মোট ৫৭জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্মীদের  নিরাপত্তার কথা ভেবে  হাসপাতাল চত্বরে একটি পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। এদিন এই হাসপাতালে মোট ১৭জন করোনা আক্রান্ত রোগীকে ভর্তি করা হয়।একটি  এছাড়াও ওই হাসপাতাল চত্বরে আরও একটি আইসোলেশান ওয়ার্ড খোলা হবে বলে দাবি করেছেন জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জ পুরসভার প্রশাসক প্রসেঞ্জিৎ ঘোষ মনু । তিনি বলেন , “ বিভিন্ন জটিলতার কারণে হাসপাতালটি বন্ধ ছিল । কিন্তু রাজ্য সরকারের উদ্যোগে হাসপাতালটি অধিগ্রহণ করে কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত হওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ করা গিয়েছে "।