সকালে সিবিআই গ্রেফতার করে  সিবিআই বিশেষ আদালত জামিন দেয় বিকেলে  জামিনে মুক্ত ফিরহাদ মদন ও সুব্রত  জামিন পেলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়   

সকালে গ্রেফতার। দিনভর চাপান উতোরের পর সন্ধ্যাবেলায় জামিন পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়র ফিরহাদ হামিক ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে জামিন পেয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এদিন গ্রেফতার করা হয়েছিল দলবদলু তৃণমূলের পকলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁকেও জামিনে মুক্ত করা হয়েছে। সিবিআই-এর বিশেষ আদালতের এই নির্দেশে রীতিমত স্বস্তি তৃণমূল শিবিরে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


৫০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত বন্ডের বিনিময় বিচারক অনুপম মুখোপাধ্য়ায় চার জনকেই অন্তবর্তী জামিন দিয়েছেন। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে সিবিআই হাইকোর্টের যেতে পারে। সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে এই মামলার শুনানি হয়েছিল। কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এদিন ভার্চুয়ালি শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এদিন আদালতে তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের হয়ে সওয়াল করেন সাংসদ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নারদকাণ্ডের গ্রেফতার তিনি সওয়াল করতে গিয়ে তাঁর মূল প্রশ্নই ছিল কেন এই মামলায় সুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায়কে গ্রেফতার করা হয়নি।একই সঙ্গে ধৃতদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পুরসভার প্রশাসক। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার গুরুত্ব তাঁর ভূমিকা। তাই এই পরিস্থিতি তাঁকে গ্রেফতার কতটা যুক্তিযুক্ত। শোভট চট্টোপাধ্য়ায়ের আইনজীবী অবশ্য ম্যাথু স্যামুয়েলের স্ট্রিং অপারেশন নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। সিবিআই প্রভাবশালী তত্ত্বের ওপর জোর দিয়েছিল। যদিও তা খারিজ করে দেয় আদালত। 

নারদকাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মন্ত্রীদের গ্রেফতার প্রতিবাদে এদিন সকালথেকেই রাজধানীর রাজপথ ছিল উত্তপ্ত। করোনা প্রোটোকল ভেঙেই অবরোধ বিক্ষোভে সামিল হন তৃণমূল কর্মীরা। দলের নেতা মন্ত্রীদের গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পরেই নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে চতলে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রায় ৬ ঘণ্টা সিবিআই দফতরে অবস্থান করেন। ভার্চুয়াল শুনানি শেষ হওয়ার পরেই তিনি নিজাম প্যালেস ছেড়ে চলে যান।