কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবরকে ভুয়ো বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। এনিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এরূপ কার্যকলাপ কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থাকেও ক্ষুণ্ণ করে।

কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবরকে ভুয়ো বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। এনিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এরূপ কার্যকলাপ কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থাকেও ক্ষুণ্ণ করে। মিথ্যা ও যাচাইহীন তথ্য প্রচারের জন্য যারা দায়ী বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার সকালে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। পুরনো একটি মামলায় এই গ্রেফতারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিন্দুত্ব নিয়ে একটি পুরনো কবিতা লেখাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও হিন্দু পরিষদের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এই কড়া নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে শ্রীজাতকে গ্রেফতারির এই নির্দেশে ইতিমধ্যেই চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিন্দায় সরব হয় সাহিত্যিক মহলও। সংবাদমাধ্যমকে শ্রীজাত বলেছিলেন, "এটা কোন মামলা, কী বিষয় আমি কিছুই জানি না। সংবাদমাধ্যম মারফত আমি বিষয়টা জানতে পেরেছি। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত পরবর্তীতে জানাব৷ আপাতত এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছি না।"

শ্রীজাতকে নিয়ে এই খবর কমিশনের দফতরেও পৌঁছে যায়। গোটা ঘটনায় দিকে আঙুল উঠতে শুরু করে। তারপরেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে ফেসবুকে জানানো হয়েছে, শ্রীজাতর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবরটি ভুয়ো। বিবৃতিতে বলা হয়, "পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়ে কতিপয় ব্যক্তি এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশের দ্বারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ও ভুয়ো খবর ছড়ানোর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এরূপ কার্যকলাপ কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থাকেও ক্ষুণ্ণ করে। মিথ্যা ও যাচাইহীন তথ্য প্রচারের জন্য যারা দায়ী বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'