পুজো পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও হকার উচ্ছেদ করা হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গ হকার অ্যাসোসিয়েশনের জয়েন্ট সেক্রেটারি অসিত সাহা। তাঁর দাবি, হকারদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুনর্বাসন নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

পুজো পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও হকার উচ্ছেদ করা হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গ হকার অ্যাসোসিয়েশনের জয়েন্ট সেক্রেটারি অসিত সাহা। তাঁর দাবি, হকারদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুনর্বাসন নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির সঙ্গে সংগঠনের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অসিত সাহা জানান, বৈঠকে মূলত হকার আইন অনুযায়ী কীভাবে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবরে দুর্গাপুজো পর্যন্ত কোনও জায়গায় হকার উচ্ছেদ হবে না। কোথাও উচ্ছেদের নোটিশ জারি করার আগে উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।" হকার সংগঠনের দাবি, যেসব এলাকা ভবিষ্যতে নন-ভেন্ডিং জোন হিসেবে ঘোষণা করা হবে, সেখানকার হকারদের ভেন্ডিং জোনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাও হকারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তবে রেলের জমিতে হকার উচ্ছেদে রাজ্য সরকারের কোনও হাত নেই, বৈঠকে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও এই ব্যাপারে তিনি কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বলেও জানিয়েছেন। রেলের জমিতে থাকা হকারদের প্রসঙ্গে অসিত সাহা জানান, রেল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন হওয়ায় সেই বিষয়ে রাজ্য সরকারের আইনি ক্ষমতা নেই। তাই রেল চত্বরে উচ্ছেদের বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি। যদিও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রেল সংলগ্ন রাজ্য সরকারের জমির ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

পশ্চিমবঙ্গ হকার অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, হকারদের অধিকার আইন দ্বারা স্বীকৃত। তাঁদের বক্তব্য, ফুটপাথের এক-তৃতীয়াংশ অংশ হকারদের ব্যবহারের সুযোগ থাকা উচিত, আর বাকি দুই-তৃতীয়াংশ পথচারীদের চলাচলের জন্য খোলা থাকবে। সংগঠনের আশা, আগামী সপ্তাহের বৈঠকে পুনর্বাসন, ভেন্ডিং জোন এবং উচ্ছেদ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে এগোনো সম্ভব হবে।