ভোররাতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে৷ আগুন লাগে হাসপাতালের  সিসিইউতে। আগুন লেগেছ বুঝতে পেরেই  আইসিইউতে থাকা রোগীদের স্থানান্তরিত করার কাজ শুরু হয়। সেসময়ই এক রোগীর মৃত্যু হয়। এই  ঘটনায় উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন  রোগীর পরিজনরা।  প্রশ্ন উঠছে হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা নিয়েও। 

শুক্রবার  ভোররাতে অ্যাম্বুলেন্স চালকেরা আচমকাই ধোঁয়া বেরতে দেখেন সিসিইউ ইউনিট থেকে। এরপরেই আগুনের ফুলকি নজরে আসে। দ্রুত  সিসিইউ ইউনিটে থাকা ১০ জন রোগীকে জেনারেল ওয়ার্ডে শিফট করা হয়। পরে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের তৎপরতায় রোগীদের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের সিসিইউতে পাঠানো হয়। সে সময় এক রোগীর মৃত্যু হয়। স্থানান্তরের সময়  লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম খোলার কারণেই  রোগীর মৃত্যু হয় বলে  মনে করা হচ্ছে। মৃত রোগীর নাম সাবেরা খাতুন(৫০)। মৃতার স্বামী মহম্মদ নুরুলের বক্তব্য, হাসপাতাল কতৃপক্ষ আরও একটু উদ্যমী হলে  স্ত্রীকে বাঁচানো সম্ভব হত।  

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সুপার অমিতাভ মণ্ডল জানিয়েছেন, শর্ট  সার্কিটের কারণে প্রথমে একটি  ভেন্টিলেটরে  আগুন লাগে। যদিও আগুন ছড়াতে পারেনি। দমকল কর্মী ও হাসপাতাল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে।  কীভাবে আগুন লাগল তার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

দমকেলর  দুটি ইঞ্জিনের দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।  এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে  হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি  আগুনের জেরে ক্ষতিগ্রস্থ  হাসপাতালের  সিসিইউ ইউনিট কবে চালু হবে সেই  প্রশ্নের উত্তরও  এখন  অধরা।