এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে করিমপুরে উপনির্বাচনের প্রচারে বেরিয়েছিলেন তিনি। সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। থানারপাড়ার ওসি সুমিত ঘোষকে নির্বাচন কমিশন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গত বিধানসভা ভোটে করিমপুর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মহুয়া মৈত্র।  লোকসভা ভোটে ফের তাঁকে প্রার্থী করে রাজ্যের শাসকদল। কৃষ্ণনগর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন মহুয়া। সোমবার উপনির্বাচন নদিয়ার করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে।  করিমপুরে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেছেন এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক মহুয়া মৈত্র। তেমনই একটি প্রচার কর্মসূচির ছবি  ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়।  

ছবিতে দেখা যায়, করিমপুর বিধানসভা এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করছেন এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক ও কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।  আর তাঁর পিছনে কালো শার্ট ও জিন্স পরে দাঁড়িয়ে আছেন এক ব্যক্তি।  যিনি ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, তাঁর দাবি, মহুয়া মৈত্রের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বা সমর্থক নন। তিনি করিমপুরের থানারপাড়া থানার ওসি  সুমিত ঘোষ। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নড়চড়ে বসেন বিজেপি নেতৃত্ব। খোদ কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে কমিশনে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ দায়ের করা হয়।  বিজেপি বিরুদ্ধে পাল্টা কমিশনে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার নালিশ করে তৃণমূলও।

জানা গিয়েছে, করিমপুরে উপনির্বাচনে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধেই বিধিভঙ্গের অভিযোগকেই মান্যতা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। থানারপাড়ার থানার ওসিকে সুমিত ঘোষকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে শনিবার দলের প্রার্থীর সমর্থনে করিমপুরে ভোটপ্রচার সারলেন বিজেপি সাংসদ ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।