বাড়ি হাতিয়ে নিয়ে বিক্রি করার জন্য মায়ের ওপর শারীরিক অত্যাচার করে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলে-বউমার বিরুদ্ধে। পড়শিদের অভিযোগ, খুন করে তথ্য প্রমাণ লোপাটের জন্য গলায় কাপড় জড়িয়ে সিলিংয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে মহিলাকে। যার জেরে ছেলে ও বউমাকে পাকড়াও করে গণধোলাই দিল প্রতিবেশীরা। 

এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় মুর্শিদাবাদের গোয়ালজান এলাকায়। মৃতের নাম শিখা বাগচি(৬০)। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার এসপি কে .শবরী. রাজকুমার বলেন," সব দিক খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে অভিযুক্ত ছেলে ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ"।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিন কয়েক আগে গ্রামের বাড়ি থেকে মা শিখা বাগচী  কে বহরমপুরে গোয়ালজানের বাড়িতে নিয়ে আসেন ছেলে বিপুল বাগচী। অভিযোগ, এরপর থেকেই বহরমপুর-এর বাড়িতে মাকে আটকে রেখে ছেলে ও তার স্ত্রী টুম্পা ওই বাড়ি লিখে নেওয়ার জন্য শারীরিক অত্যাচার করতে থাকে। পরবর্তীকালে শিখা দেবীর গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত দেহ বাড়ির জানালা দিয়ে দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। 

তৎক্ষণাৎ ছেলে বিপুল ও তার স্ত্রী টুম্পাকে ধরে জেরা করতে শুরু করে প্রতিবেশীরা। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলার পরই শুরু হয় গণধোলাই। স্থানীয়দের দাবি, মাকে অত্যাচার করে সম্পত্তির লোভে খুন করেছে ছেলে ও তার স্ত্রী। তাই ওই সম্পত্তি স্থানীয়রা কোনওভাবেই বাইরের কাউকে বিক্রি করতে দেবে না। পুলিশ পৌঁছে জনতার রোষ থেকে উদ্ধার করে অভিযুক্ত ছেলে ও তার স্ত্রীকে।