মহিলা সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক লাগাতার 'ব্ল্যাকমেল' প্রেমিকার আত্মহত্যা করলেন ট্রাফিক বিভাগের ওসি চাঞ্চল্য বালুরঘাটে  

তাপসী চক্রবর্তী, বালুরঘাট:  পরকীয়ার সম্পর্কের জের, ব্ল্যাকমেলিং-এর শিকার হয়েই কি আত্মহত্যা? পুলিশ আধিকারিকের মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য। চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: 'নববধূর কাছে বন্ধুদের পাঠাত স্বামী', স্ত্রীকে জোর করে দেহ ব্যবসায় নামনোর অভিযোগ

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সুদীপ্ত কুমার দাস। বাড়ি, মালদহে। বছর দেড়েক আগে বালুরঘাটে ট্রাফিক বিভাগে ওসি হিসেবে কাজ যোগ দেন তিনি। তার আগে দক্ষিণ দিনাজপুরেরই গঙ্গারামপুর ও তপন থানায় কর্মরত ছিলেন ওই পুলিশ আধিকারিক। স্বামীর বদলির পরে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে স্ত্রী গঙ্গারামপুরে পুলিশ আবাসনে থাকতেন। সপ্তাহ খানেক আগে তাঁদের বালুরঘাটের নিজের কাছে নিয়ে আসেন সুদীপ্ত। পরিবারের লোকেদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে ডিউটি থেকে ফেরার পর আচরণে কোনও অস্বাভাবিক নজরে পড়েনি। কিন্তু শোওয়ার আগে একসঙ্গে তিরিশটি ঘুমের ওষুধ খেয়ে ফেলেন তিনি! ঘটনাটি টের পাওয়ার পর যখন ওই পুলিশ আধিকারিককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, ততক্ষণে সবশেষ। চিকিৎসকরা ট্রাফিক বিভাগের ওসি সুদীপ্ত কুমার দাসকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যু, প্রতিবাদের উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটল পুলিশ

কেন এমন কাণ্ড ঘটালেন? জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে কর্মরত থাকাকালীন স্থানীয় এক মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন সুদীপ্ত। ঘটনাটি জানাজানি হতেই যথারীতি পরিবারে অশান্তি শুরু হয়। এদিকে আবার ওই মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ার রীতিমতো ব্যাকমেলও করতেন বলে অভিযোগ। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই ওসি সুদীপ্ত কুমার দাস চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত জানিয়েছেন, মৃতদেহটি ময়নাতদন্ত পাঠানো হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।