আশিস মণ্ডল, বীরভূম-বিশ্বভারতীর পৌষমেলার মাঠে অসামাজিক কাজকর্ম বন্ধ করতে পাঁচিল তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। ১৭ অগাস্ট পাঁচিল নির্মাণের কাজ শুরু হতেই শুরু হয় বহিরাগতদের তাণ্ডব। দফায় দফায় বিক্ষোভের জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল পৌষ মেলা মাঠ চত্বর। পাঁচিল তৈরির আংশিক কাজও ভেঙে ফেলেছিল দুষ্কৃতীরা। হামলার পিছনে তৃণমূলের হাত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে পৌষমেলার মাঠে পাঁচিল নির্মাণের কাজ শুরু হয় সোমবার থেকে।

আরও পড়ুন-পিরামিডের আকার নিয়েছে প্রতারণা চক্র, রেলে চাকরির নামে বড়সড় পর্দাফাঁস

আদালতের নির্দেশে পাঁচিল নির্মাণের কাজ শুরু হতেই নতুন করে বিক্ষোভ-অশান্তি এড়াতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। কাজ শুরুর আগে পৌষমেলার মাঠে জলকামান নিয়েও প্রস্তুত ছিল পুলিশও। অথচ, ১৭ অগাস্ট ঘটনায় পুলিশকে দেখা গিয়েছিল কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকায়। বিক্ষোভ, হিংসা সামাল দিতে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন-দেশ জুড়ে বিরোধিতা, বাংলায় কৃষি আইনের সমর্থনে বিজেপির মিছিল

অন্যদিকে, পৌষমেলায় মাঠে ওইদিন যাঁরা আন্দোলন করেছিলেন। হিংসা-অশান্তিতে পৌষমেলার মাঠে তাণ্ডব চালিয়েছিল। আজ অন্য ভঙ্গিতে। হাইকোর্টের নির্দেশে পাঁচিল নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রতিবাদের ধাঁচ বদলে ফেলেছেন তাঁরা। এবার তাণ্ডব না চালিয়ে বাউলগানের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। বিক্ষোভের আঁচ ফের পড়তে পারে এই আশঙ্কা থেকেই সোমবার থেকে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয় শান্তিনিকেতন পৌষমেলা চত্বরে। ব্য়বসাসী আমিনূর হোদা বলেন 'আমরা প্রতিকী সভা করলাম, কবি গুরুর কাছে আমরা চেয়েছিলাম খোলামেলা পরিবেশ, সেই আদর্শেই আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানালামে'। 

আরও পড়ুন-অশোকের জমানায় শিলিগুড়ি, একুশের বিধানসভায় জোর ত্রিমুখী টক্কর