সব্যসাচী দত্ত কি এবার পাল্টা চাপে ফেলার কৌশল নিল দল। বুধবার সল্টলেকে নতুন একটি রাস্তার উদ্বোধনে সব্যসাচী দত্তের গরহাজিরা দেখে সেই প্রশ্নই উঠছে তৃণমূলের অন্দরে। জানা গিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে আসার জন্য বিধাননগরের মেয়রকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। সব্যসাচী দত্ত উপস্থিত না থাকলেও অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিধাননগরের বিধায়ক সুজিত বসু এবং নবদিগন্তের চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন। 

আরও পড়ুন- বিধানচন্দ্র রায়ের মাল্যদানেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকট, বিধাননগরেই অস্বস্তিতে শাসক দল

মঙ্গলবার সেক্টর ফাইভ এলাকা থেকে বিধাননগর পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে যাতায়াতের জন্য একটি লিংক রোডের উদ্বোধন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে বিধাননগর পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাণীব্রত বসুও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দেখা যায়নি বিধাননগরের মেয়রকে। 

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম যুক্তি দেন, যেহেতু অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা নবদিগন্ত কর্তৃপক্ষ তাই তাদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেবাশিস সেন সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। সেই কারণেই বিধাননগরের মেয়রকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। পুরমন্ত্রীর এই যুক্তি মানলে প্রশ্ন ওঠে, সেক্ষেত্রে কেন বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলরকে ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল?

৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাণীব্রত বসু সুজিত বসুর অনুগামী হিসেবেই পরিচিত। আবার সুজিত বসুর সঙ্গে সব্যসাচী দত্তের তিক্ততা এখন তৃণমূলের অন্যতম অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত সোমবার বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম এবং মৃত্যুদিন পালন অনুষ্ঠানে বিধায়ক- মেয়রের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে। এবার সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণই জানানো হল না সব্যসাচীকে।