রাজ্যের আরও সাতজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার রাতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি পাঠিয়ে সাতজন এআইআরও-কে তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

রাজ্যের আরও সাতজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার রাতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি পাঠিয়ে সাতজন এআইআরও-কে তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই সাত আধিকারিকের মধ্যে মুর্শিদাবাদের তিনজন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার দু'জন এবং পশ্চিম মেদিনীপুর ও জলপাইগুড়ির একজন করে। এই সাত আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনও বিলম্ব না করে পদক্ষেপ নিতে হবে, কমিশনকে এই বিষয়ে জানানো হবে।

নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছে যে ১৩৯-ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা নির্বাচনক্ষেত্রের যুগ্ম বিডিও সত্যজিৎ দাস এবং এফইও জয়দীপ কুণ্ডুকে এসআইআর সম্পর্কিত গুরুতর অসদাচরণ, কর্তব্যে অবহেলা এবং আইনগত ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করা হোক। কমিশন নির্দেশ দিয়েছে যে কোনও বিলম্ব ছাড়াই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং কমিশনকে এই বিষয়ে অবহিত করা হবে।

একইভাবে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরী, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ‌ দাস, সুতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলমকে এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

সিইও-কে চিঠি

এর পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা একটি পৃথক চিঠিতে কমিশন সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির নির্দেশ মনে করিয়ে দিয়েছে। কমিশন নির্দেশ দিয়েছে যে সিইও এবং ডিইও-দের অফিসে আজ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফর্ম ৭-এ সমস্ত আপত্তি অবিলম্বে এবং সর্বাধিক ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে EROS/AERO-দের কাছে নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হবে। ইসিআই নির্দেশ দিয়েছে যে EROS এবং AERO-দের তাঁদের অফিসে বা সিইও এবং ডিইও-দের অফিস থেকে প্রাপ্ত ফর্ম ৭-এ প্রাপ্ত সমস্ত আপত্তি, আইনানুগ পরিকল্পনা অনুসারে এবং ৯ ফেব্রুয়ারির আদালতের আদেশ অনুসারে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত দাবি এবং আপত্তি নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে রাজ্যের দুই জেলার চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে গত বছরই এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। চার জনকেই সাসপেন্ড করে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত এক কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।