লকডাউনের দিন যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে সংকট কলকাতা-সহ রাজ্য়ে শুরু হয়েছে ওষুধের সঙ্কট লোকে ভয় পেয়ে একসঙ্গে কিনে নিয়ে দু-তিনমাসের ওষুধ কিনছেন এই পরিস্থিতিতে ডিসট্রিবিউটরের ঘর থেকে ওষুধ  নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না

আর যাই থাক না কেন, ওষুধের সঙ্কট কিন্তু প্রথমদিকে একেবারেই ছিল না কিন্তু লকডাউনের দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আশঙ্কার ছায়া নেমে আসছে, এবার বোধহয় আর ওষুধ পাওয়া যাবে না দোকানে কারণ, স্টক নিঃশেষিত হয়ে আসছেআর সেইসঙ্গে মানুষ তার অভিজ্ঞতায় দেখে নিচ্ছে, সুগার, প্রেসার থেকে শুরু করে সাধারণ অম্বলের ওষুধ পর্যন্ত জোগাড় করতে কালঘাম ছুটে যাচ্ছে

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মনে করা হচ্ছে, এই সংকট কিন্তু কৃত্রিম বাজারে ওষুধের কিন্তু কোনও আকাল ছিল না এই সেদিন পর্যন্ত কিন্তু লকডাউন যত এগোচ্ছে, ততই ওষুধের দোকানে দীর্ঘ লাইন পড়ছেএক সময়ে সিনেমা হলে যেমন পড়ত আর কীদেখা যাচ্ছে, পরে পাওয়া যাবে না স্রেফ এই আতঙ্ক থেকেই লোকে এখন দু-তিন মাসের ওষুধ আগাম কিনে রাখছেআর তাতে করেই শুরু হয়েছে সংকট

লেকটাউন, কালিন্দী থেকে শুরু করে পাটুলি, বলতে গেলে টালা থেকে টালিগঞ্জ, সর্বত্র এই ক-দিনে লাইন পড়েছে ওষুধের দোকানেএই পরিস্থিতিতে ওষুধের ব্য়বসায়ীরা জানাচ্ছেন, ওষুধের মজুত যথেষ্ট কিন্তু ডিসট্রিবিউটরের ঘর থেকে আনবে কেসেখানে কর্মচারীরা কেউ আসতে পারছেন না লকডাউনের জন্য় অন্য়দিকে কাউকে পাঠানোও যাচ্ছে না বাস-মেট্রো না-চলায়দোকানে কোনও ওষুধ ঢুকছে না অথচ যা রয়েছে তা দ্রুত নিঃশেষিত হয়ে যাচ্ছেতাই দেখা দিয়েছে সংকট

এই পরিস্থিতিতে ওষুধের দোকানদার থেকে শুরু করে অনেকেই হাতজোড় করে বলছেন, দোহাই, একসঙ্গে দু-তিনমাসের ওষুধ কিনবেন নাতাহলে অচিরেই সঙ্কট দেখা দেবে যেমন ইতিমধ্য়েই সুগার আর প্রেশারের ওষুধ পেতে কালঘাম ছুটে যাচ্ছে অনেকের এমনকি, অম্বলের জন্য় সাধারণ রানিটিডিন গ্রুপের ওষুধ পর্যন্ত সহজে পাওয়া যাচ্ছে না