মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিল্পায়নের লক্ষ্যে 'ডাইরেক্ট ল্যান্ড পারচেজ পলিসি' ঘোষণা করেছেন। ২০১৩ সালের জমি ক্রয় নীতির উপর ভিত্তি করে এই নতুন নীতি আনা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গকে শিল্পবান্ধব করে তোলা। 

সরকার বদল হয়েছে। এবার বদল হবে রাজ্যের শিল্পায়নে চিত্র। এমনই আশা সকলের। এবার জমি নিয়ে সমস্যা, স্থানীয় স্তরে কাটমানি, প্রশাসনের অসহযোগিতা-সহ একগুচ্ছ অভিযোগ তোলা হত আগের সরকারের আমনে। এই সব সমস্যা নিরসন করে পশ্চিমবঙ্গকে গুজরাট, তামিলনাড়ুর সমতুল্য শিল্পবান্ধব রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হুগলির ডানকুনিতে লাক্স কোজি ইন্ডাস্ট্রির দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধনে হাজির হয়ে বিশেষ ঘোষণা করলেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা ২০১৩ সালের জমি ক্রয় নীতি গ্রহণ করেছি। আমরা চাই না, আরেকটা সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম হোক। আমরা ডাইরেক্ট ল্যান্ড পারচেজ পলিসি চালু করেছি। সেই পলিসিতে আমরা বিএসএফকে জমি দিচ্ছি, রেলকে জমি কিনে দিচ্ছি, নতুন এয়ারপোর্টের জন্য জমি দিচ্ছি, একই ভাবে যে শিল্পপতিরা এখানে বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের জন্য জমি কোনও সমস্যা হবে না। আমরা ডাইরেক্ট ল্যান্ড পারচেজ স্কিমে জমি কিনে আপনাদের হস্তান্তর করব।

এদিকে রাজনৈতিক মহলের মতে, এক সময় সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতির মোড় ঘুরে গিয়েছিল। সেই আবহে নতুন করে কোনও জমি জট যাতে শিল্পের পথে অন্তরায় না হয়, তার জন্যই রাজ্য সরকারের এই সরাসরি জমি ক্রয় নীতি।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ১০০ কোটি টাকার বেশি যাঁরা বিনিয়োগ করবেন, কোনও পঞ্চায়েত, পুরসভা, কর্পোরশন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে অনুমোদন নিতে হবে না। যত গণ্ডগোল ওইখানে। যত দাদাগিরি, হেনস্থা ওই খানে। এই সব বিনিয়োগকারীদের জন্য সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম-র মধ্যে WBIDC, ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট, এনভায়রনমেন্ট ডিপার্টমেন্ট ছাড়পত্র বা প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেবে।