রাজ্যবিধানসভাার বিরোধী নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে দিল্লিতে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন নন্দীগ্রামের সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস সহ একগুচ্ছ ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনার জন্য দিল্লিতে গিয়েছেন শুভেন্দু। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহর সঙ্গে তাঁর বাড়িতেই দেখা করেন শুভেন্দু। সোশ্যাল মিডিয়া বার্তা দিয়ে সেকথা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি শুভেন্দু জানিয়েছেন বাংলার একাধিক বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বাংলার শুভকামনা করেছেন বলেও জানিয়েছেন। 

সোমবার রাতেই দিল্লি পৌঁছেগেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডার সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মান্দাভিয়ার সঙ্গেও দেখা করার কথা রয়েছে তাঁর। সূত্রের খবর আগামিকাল শুভেন্দু দেখা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। তবে সাইক্লোন যশ (Cyclone Yaas) পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে এসেছিলেন। সেই সময় তিনি যে বৈঠক করেছিলেন সেই বৈঠকেও ডাক পেয়েছিলেন নন্দীগ্রামের সাংসদ শুভেন্দু। সেই সময়ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে তাঁদের মধ্যে একাধিক কথাবার্তা হয়েছিল বলেও সূত্রের খবর। যদিও সেই বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত ছিলেন না। আর সেই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে রীতিমত কটাক্ষ করেন। 

রাজ্যের দলবদলু তৃণমূল নেতাদের মধ্যে শুভেন্দু এখনও পর্যন্ত প্রথম সারির বিজেপি নেতা হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেছেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও তাঁকে রীতিমত গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও মনে করেছে বিজেপি একাংশ। যদিও সূত্রের খবর ভোটের আগে দলবদলু অনেক তৃণমূল নেতা মন্ত্রীই তলেতলে ঘাসফুলে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিনই ডোমজুড়়ের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়  একটি বার্তা দিয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপির কোনও বৈঠকেও তাঁকে দেখতে পাওয়া যায় না। শুধু রাজীব নন অনেকেই রয়েছেন সেই তালিকায়। যদিও সেই তালিকায় এখনও পর্যন্ত অধিকারী পরিবারের নাম নেই।