Who Is Makhanlal Sarkar: বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণের মঞ্চে প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকারকে সম্মান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী। ৯৭ বছরের মাখনলাল বিজেপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে রাজনীতি করছেন। ভারত কেশরী ও আদি বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে তিনি রাজনীতিতে আসেন।
বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণের মঞ্চে প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকারকে সম্মান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী। ৯৭ বছরের মাখনলাল সরকার বিজেপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে রাজনীতি করছেন। ভারত কেশরী ও আদি বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে তিনি রাজনীতিতে আসেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে মঞ্চে প্রণাম করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তাঁকে আলিঙ্গন করেন। যা দেখে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে প্রবল হর্ষধ্বনি ওঠে। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের শেষের দিনগুলিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল সরকার। কাশ্মীরে রহস্যজনক ভাবে মৃত শ্যামাপ্রসাদের শেষ সময়েও সঙ্গী ছিলেন এই মাখনলাল।

বিজেপির দীর্ঘ রাজনীতির লড়াইয়ে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সম্মান জানান। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার তাঁর শিলিগুড়ির বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীম ভট্টাচার্য জানান, দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ একসময় গ্রেফতার করেছিল মাখনলাল সরকারকে। তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তা করেননি। পরে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। পরে মাখনলাল সরকার সেই গানটি শোনান বিচারককে। তা শুনে মাখনবাবুকে মুক্তি দেন বিচারক। সঙ্গে ফার্স্ট ক্লাস কামরায় মাখনলাল সরকারকে বাড়ি পাঠাতে নির্দেশ দেন পুলিশকে। সঙ্গে ১০০ টাকা দিতেও বলা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ উপলক্ষে কলকাতায় সাজো সাজো রব। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন খানিক ক্ষণেই। ব্রিগেডে শপথগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পাশাপাশি সেখানে থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। ব্রিগেড চত্বরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি করা হয়েছে।
মঞ্চে আছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা প্রফুল পটেল, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, চিরাগ পাসোয়ান, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি, শিবরাজ সিংহ চৌহান, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবীশ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিঠুন চক্রবর্তী-সহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।
