হাজার বলেও লাভ হল না। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ত্রাণ ঘিরেও শুরু হল রাজনীতি। যার জেরে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। 

বসিরহাটে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক কড়া নির্দেশ ছিল ত্রাণ নিয়ে কেউ রঙ লাগাবেন না। এমনকী দলবাজিও করা যাবে না ত্রাণ নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ত্রাণ নিয়ে বিজেপির ওপর হামলার অভিযোগ উঠল। হামলায় ১০জন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। তাদের মধ্যে তিনজনকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। মনীন্দ্র মন্ডল, নিশিথ মন্ডল ও তপন মন্ডলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জে ত্রাণ বিলি নিয়ে ব্লকের কালিতলা গ্রামের ঘটনা ইতিমধ্যেই কানে গেছে প্রশাসনের। 

বিজেপির অভিযোগ, ত্রাণ বিলি করতে সমন্বয় কমিটি গড়ার আহ্বান  জানায়  বিজেপি। কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দীপ্তি মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে এই দাবি জানানো হয়। যদিও পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়ে দেন , এই ত্রাণ পুরোপুরি রাজ্য় সরকারের। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও অবদান নেই। তাই পঞ্চায়েতের মাধ্য়মেই ত্রাণ বিলি হবে। বিজেপির দাবি,পঞ্চায়েত প্রধান এই কথা বলার পরই তা মেনে নেয় বিজেপি। কিন্তু বাড়ির দিকে হওনা দিতেই তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা তাঁদের ওপর বাঁশ,লাঠি নিয়ে হামলা করে। 

ইতিমধ্যেই আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুলবুলের ত্রাণ সামগ্রী সঠিক ভাবে বিলি না হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এদিন নামখানা ও ফ্রেজারগঞ্জে গেলে তাঁর কনভয় আটকায় তৃণমূলের লোকজন। পথেই কালো পতাকা দেখিয়ে গো ব্যাক স্লোগান তোলা হয়। পরে বাবুল দাবি করেন, তাঁকে আসতে দেখেই ঝড়ে বিপর্যস্তদের রাস্তায় পাত পেরে খাওয়ার দেওয়া হয়েছে। তিনি যাতে বাইক নিয়েও রাস্তা দিয়ে না যেতে পারেন তার জন্যই এই ব্য়বস্থা করা হয়েছে। গত পাঁচদিন ধরে এই বুলবুলে বিধ্বস্ত মানুষদের পাশে আসেননি প্রশাসনের কেউ।