এবার আর সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ নয়। বরং একেবারে রাজ্য সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বিপুল পরিমাণ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল হাওড়ার এক তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নেত্রীর নাম পাপিয়া চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু যুবকের থেকে প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

আরও পড়ুন- কিছুতেই যাচ্ছে না কাটমানি লোভ, দম্পতিকে বেধড়ক মারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

এ দিন সকালে হাওড়ার সাঁকরাইলে পাপিয়াদেবীর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বেশ কয়েকজন যুবক। অভিযোগ ২০১৬ সাল থেকে প্রায় সতেরোজন যুবকের থেকে গড়ে দেড় থেকে দু' লক্ষ টাকা করে নিয়েছেন পাপিয়াদেবী। প্রত্যেককেই সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার পরে প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও তাঁদের কেউই চাকরি পাননি।

অভিযোগ, টাকা দেওয়ার পরেও বেশ কিছুদিন কেটে যাওয়ার পরেও চাকরি না পেয়ে অনেকেই পাপিয়াদেবীর কাছে টাকা ফেরত চেয়েছিলেন। কিন্তু এতদিন নানা অছিলায় তাঁদের এড়িয়ে যান ওই নেত্রী। শেষ পর্যন্ত এ দিন সকালে তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে শুরু হয় বিক্ষোভ। সবমিলিয়ে ওই নেত্রী প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকা তুলেছেন বলে দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। 

অভিযুক্ত ওই নেত্রী অবশ্য টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ২০১৬ সালে জেলায় মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী থাকার সময় তিনি ওই টাকা নিয়েছিলেন বলে দাবি করেন ওই নেত্রী। শুধু তাই নয়, দলের কয়েকজন নেতাকেও ওই টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে প্রত্যেককেই টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। বেশ কয়েকজনকে টাকা ফেরত দিয়ে দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। বাকিদের টাকা ফেরত দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।