এবার কোপ পড়ল শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্টি নেতা কণিষ্ক পান্ডার ওপর। দলী বিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ তুলে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক কণিষ্ক পান্ডাকে বহিষ্কার করা হল দল থেকে।  তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের ফলে পূর্ব মেদিনীর কিছুটা হলেও ক্ষমতা বাড়তে শুরু করেছে অখিল গিরি ও তার পরিবারের। 

সূত্রের খবর শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর থেকে একের এপর এক দলবিরোধী মন্তব্য করতে শুরু করেছিলেন কণিষ্ক পান্ডা। তিনি সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি কাঁথি বাসস্ট্যান্ডের একটি তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয়ের রঙ বদল করে গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে তোলেন। যদিও কণিষ্ক পান্ডার দাবি করেন, সেটি তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ছিল না। সেটি ছিল ব্যবসায়ী সমিতির অফিস। আর সেখানেই দাদার অনুগামী হয়ে তিনি তৈরি করেছন দাদার সহায়তা কেন্দ্র। তিনি বলেন এখানে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে অভিযোগ দায়ের করে যেতে পারবেন। যেকোনও মানুষই সেখানে নিয়ে নিজেদের অভিযোগ জানিয়ে আসতে পারেন। পার্টি অফিসার রঙ পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল নেত্রী যে ত্যাগের কথা বলেছেন তাঁর কথার প্রতীকই দাদার সহায়তা কেন্দ্রের রঙ। তবে শুভেন্দু আগামী দিনে বিজেপিতে যাচ্ছেন কিনা সে নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। 

তিনি আরও বলেন বাংলা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রয়োজন। কণিষ্ক পন্ডার কথায় শুভেন্দু আধিকারী মানেই বাংলার উন্নয়ন। তাঁকে সরিয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কাজ করেননি বলেও দাবি করেছেন তিনি। সাংবাদিকদের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যকে নিশানা করতে দ্বিধা করেননি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এই নেতা। একই সঙ্গে সমুখ সমরেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন তাঁরা গামছা পরা পানতা খাওয়া মানুষ। তাই লড়াই তাঁদের কাছে নতুন কিছু নয়। তবে এটাই প্রথম নয় এর আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বেশ কয়েকজন নেতার ওপর কোপ পড়েছিল। তাই কণিষ্ক পাণ্ডাকেও  যে ছেঁটে ফেলা হতে পারে তার একটা জল্পনা চলছিল দলের অন্দরে। তবে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি শিরির অধিকারী।