তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের দায়ের করা মামলার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারির জন্য হাব তৈরির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল কেন্দ্রীয় সরকারের ইউআইডিএআই কর্তৃপক্ষ। তৃণমূল সাংসদের দাবি অনুযায়ী, তাঁর দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে এ কথাই জানিয়েছে ইউআইডিএআই। নজরদারি হাব তৈরির জন্য যে টেন্ডার ডাকা হয়েছিল, তাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি ওই প্রতিষ্ঠান। 

কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া নিজে সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য। ইউআইডিএআই শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও নজরদারি হাব তৈরির জন্য এই ধরনের কোনও হাব তৈরির পরিকল্পনা নেই তাদের। 

তৃণমূল সাংসদের হয়ে আইনজীবী এ এম সিংভি আদালতে দাবি করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি চালানোর জন্য এই প্রস্তুতি গোপনীয়তা রক্ষার অধিকারকে ভঙ্গ করবে এবং মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার দফতরের অধীনে জেলাস্তরে নজরদারি হাব তৈরি করে ডিজিটাল এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হচ্ছে, তা সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। 

সুপ্রিম কোর্ট ২০১৮ সালে নিজের পর্যবেক্ষণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্যের উপর নজরদারির পদক্ষেপের সমালোচনাই করেছিল। আমজনতার মধ্যেও বিরূপ প্রভাব তৈরি হয়েছিল। এই পদক্ষেপের প্রতিবাদ করে সংসদে মহুয়া মৈত্রের প্রথম বক্তব্য রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। 

এ দিনের ঘটনায় স্বভাবতই খুশি তৃণমূল সাংসদ একে মানুষের জয় বলে বর্ণনা করছেন।