কেশপুরে তুমুল উত্তেজনা ভারতী ঘোষের গাড়ি বাজেয়াপ্ত পুলিশের বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূলের পাল্টা লাঠিচার্জ পুলিশের  

ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হলেও সকাল থেকে কেশপুর ছেড়ে বেরোতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। পরের পর বিক্ষোভ, অশান্তির পরে শেষ পর্যন্ত ভারতীর গাড়িই বাজেয়াপ্ত করল কেশপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, ভোটের দিন গাড়ি নিয়ে ঘোরার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ছিল না ভারতীর কাছে। এর পরেই ভারতীকে ঘিরে তৃণমূল সমর্থকদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় নামে বিশাল সংখ্যক পুলিশবাহিনী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এ দিন সকালে প্রথমে কেশপুরের চাঁদখালিতে একটি বুথে বিজেপি এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছলে ভারতীকে ঘিরে ধরে বাধা দিতে শুরু করেন তৃণমূলের মহিলা সমর্থকরা। রীতিমতো ধাক্কা দেওয়া হয় ভারতীকে। মাটিতে পড়ে গিয়ে আহত হন ভারতী. 

এর পর বেলার দিকে ফের দোগাছিয়ায় ভারতীর বিরুদ্ধে নিরাপত্তাবাহিনীকে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আহত হন এক তৃণমূল কর্মী. ভারতী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি হয়। সিআইএসএফ জওয়ানরা গুলি চালালে একজন আহত হন বলে অভিযোগ।

এর পরেই কেশপুর বাজারে ভারতীর গাড়ি আটকে কাগজপত্র দেখতে চায় পুলিশ. তা দেখাতে পারেননি বিজেপি প্রার্থী। তিনি দাবি করেন, এডিএমের কাছে অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হয়নি। পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে ভারতীর সঙ্গীদের. পুলিশ তাঁর যুক্তি না শুনে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে। তখনই সেখানে বাঁশ, লাঠি হাতে প্রচুর তৃণমূল সমর্থক জড়ো হন। ভারতীকে গ্রেফতারের দাবি জানান তারা। ক্রমশ মারমুখী হয়ে ওঠে ভিড়। একটি মন্দিরে আশ্রয় নেন ভারতী এবং তার সঙ্গীরা। 

পুলিশ তৃণমূল সমর্থকদের বাধা দিলে তাঁরা বাঁশ, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। কেশপুর থানার সামনে শুরু হয় ইটবষ্টি। পরে বিরাট পুলিশ বাহিনী গিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। যদিও এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে. তাঁদের দাবি, ভারতী ঘোষকে হয় এলাকা ছাড়তে হবে নয়তো তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, ভারতী এলাকায় অশান্তি পাকাচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় একটি কালীমন্দিরে বসেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে ভারতী ঘোষ।