ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টির জেরে সামান্য হলেও স্বস্তি ফিরতে পারে বঙ্গে।  আগামী সপ্তাহে বহু প্রতিক্ষিত বৃষ্টির দেখাও মিলতে পারে বাংলায়।  তবে আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় একইভাবে গরমে হাঁসফাঁস করবে একই সঙ্গে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, দুই বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা বজায় থাকছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সারাদিনও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দু' তিন ডিগ্রি বেশি থাকবে।  ফলে, গরমে কষ্ট সাধারণ  মানুষের কষ্ট অব্যাহতই থাকছে।  যে জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহ চলছে, মধ্যে জঙ্গলমহলের জেলাাগুলিতে রবিবার ভোট রয়েছে।  তবে ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টির জেরে পশ্চিমের কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হতে পারে।  সামান্য বৃষ্টিপাতও হতে পারে সেখানে।  

একই সঙ্গে হাওয়া অফিসের অধিকর্তা গণেশচন্দ্র দাস জানিয়েছেন, সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।  ফলে আগামী সপ্তাহেই প্রবল গরম থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়ার আশা দেখিয়েছেন আবহবিদরা।  একই সঙ্গে দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারের মতো উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও রবিবার থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। এ দিনও কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭° সেলসিয়াস। রবিবারও কলকাতার তাপমাত্রা একই রকম থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোদের তাপ সবথেকে বেশি থাকে দুপুরে. তাই একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বেলা বারোটা থেকে বিকেল তিনটের মধ্যে বাইরে না বেরনোই ভাল।  বাইরে বেরোলে অবশ্যই সঙ্গে পানীয় জল রাখুন, ব্যবহার করুন টুপি অথবা ছাতা এবং রোদ চশমা।  প্রচণ্ড গরমে বাইরে গিয়ে শরীর খারাপ লাগলে দ্রুত ছাওয়া আছে, এমন কোন জায়গায় চলে গিয়ে ঠান্ডা জল বা পানীয় পান করুন। 

গরম থেকে বাঁচতে আপাতত এই পরামর্শগুলি মেনে চলা ছাড়া উপায় নেই।  এখন দেখার, বঙ্গবাসীর অপেক্ষার অবসান করে সত্যিই আগামী সপ্তাহে বৃষ্টি হয় কি না।