Lakshmir Bhandar: রাজ্য সরকারের একাধিক সরকারি প্রকল্পের মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সবচেয়ে জনপ্রিয়। এই প্রকল্পে রাজ্যের মহিলাদের মাসে মাসে আর্থিক ভাতা দেওয়া হয়। আর সেই কারণেই রাজ্যের মহিলাদের একটা বড় অংশের ভোট শাসসদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায়।
Lakshmir Bhandar: রাজ্য সরকারের একাধিক সরকারি প্রকল্পের মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সবচেয়ে জনপ্রিয়। এই প্রকল্পে রাজ্যের মহিলাদের মাসে মাসে আর্থিক ভাতা দেওয়া হয়। আর সেই কারণেই রাজ্যের মহিলাদের একটা বড় অংশের ভোট শাসসদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ২০২১ সালে নানা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ঘোষণার কারণেই সরকারে ফিরে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ২০২১ সালে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্প চালু করেছিলেন।
এদিকে, বুধবার মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় নির্বাচনী জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেখানে গোপন কথা ফাঁস করেন তিনি। জানান, ঠিক কী কারণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছিলেন তিনি। মমতা বলেন, "নোটবন্দির সময় বিরোধিতা করেছিলাম। বলেছিলাম, এতে মানুষের ক্ষতি হবে। আমার কাছে সেই সময় একদিন অভিষেকের মা ছুটে এল। ও আমার কাছে থাকে। আমাকে বলল, দিদি, দিদি, ৫০০ টাকা দেবে? আমি বললাম কেন? ও বলল, সব টাকা তো জমা করে দিতে হবে। এ টাকা তো চলবে না। তা হলে আমি বাজার করব কী করে? মা-বোনেদের দুঃসময়ের পুঁজি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একটি মেয়ে বেঙ্গালুরুতে থাকে। তার বাড়ির একজন আমাদের কাছে থাকে। সেও বলেছিল, ১০০টা টাকা দেবে। আমি সে দিন ঠিক করেছিলাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মা বোনেদের উপহার। আমার নিজেরও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আছে। তাতে পাঁচ টাকা, দশ টাকা জমা করি। কালীপুজোর সময় একটা কিছু মাকে দিই।"
বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা মাসে মাসে ১৫০০ টাকা করে পান। আর তফশিলি জাতি ও উপজাতি মহিলারা মাসে ১৭০০ টাকা করে পান। কিছুদিন আগেই রাজ্য বাজেটে ৫০০ টাকা করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বাড়ানো হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য মোট ১৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কের একটা বড় অংশ হল মহিলা। আর সেটার মূল কারণ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।
বড়ঞায় জনসভা থেকে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা মহাত্মা গান্ধীর নামে সেই প্রকল্প শুরু করেছে। আগামিদিনে রাজ্যের কারও কাঁচা বাড়ি রাখব না। সব পাকা বাড়ি হবে। পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছোবে বাড়ি বাড়ি।
