হাওড়ার একটি স্কুলে পরিদর্শনে গিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে মিড ডে মিল খান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরের দিনই তাঁর তরফ থেকে স্কুলের সমস্ত পড়ুয়া ও শিক্ষকদের জন্য মিড ডে মিলে মাছ ও রসগোল্লা পাঠানো হয়।

প্রতিদিনের মিড ডে মিলে এই ধরনের খাবার খেতে হয় পড়ুয়াদের। এবার সেই খাবারের তালিকায় এল বদল। হাওড়ার একটি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য মাছ ও রসগোল্লা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার স্কুলে এসে পড়ুয়াদের সঙ্গে মিড ডি মিল খাওয়ার পরের দিনই এই উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মিলবে মাছ ও রসগোল্লা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার হাওড়ার রাজলক্ষ্মী ব্যাঁটরার মধুসূদন পাল চৌধুরী বিদ্যালয়। মঙ্গলবার সেখানে সারথি প্রকল্পের সাইকেল দেওয়া হয়। সেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে মিড ডে মিল খান। এরপর পড়ুয়া ও শিক্ষকদের জন্য মাছ ও রসগোল্লা পাঠানো হয়। অর্থাৎ এদিনের মিড ডে মিলে অন্যদিনের তুলনা মেনু ছিল আলাদা।

এদিন স্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরাও একসঙ্গে বসে খাওয়া দাওয়া করেন। পরো আয়োজনটাই ছিল চড়ুইভাতির মতো। স্কুলে মোট প্রায় ১২০০ জন পড়ুয়া রয়েছেন। তাদের পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরাও এই খাবার খান। এই উপহারের জন্য স্কুলের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

এদিন স্কুলের প্রধান শিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তী জানান, আগে স্কুলের রান্নাঘর এবং খাওয়ার ঘরের অবস্থা ভালো ছিল না। পরে প্রাক্তনীদের সাহায্যে সেগুলো নতুন করে তৈরি করা হয়। মঙ্গলবার স্কুলে এসে মুখ্যমন্ত্রী সেই কাজের প্রশংসা করেছিলেন। প্রধান শিক্ষক বলেন, বুধবার পড়ুয়াদের জন্য মাছ ও রসগোল্লা পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে স্কুলটিকে স্মার্ট স্কুল হিসেবে তৈরি করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সদ্য হাওড়ার একটি স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে মিড ডে মিল খান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরের দিনই তাঁর তরফ থেকে স্কুলের সমস্ত পড়ুয়া ও শিক্ষকদের জন্য মিড ডে মিলে মাছ ও রসগোল্লা পাঠানো হয়। এই বিশেষ উপহার পেয়ে খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষ মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এর পরই সর্বত্র উঠেছে প্রশ্ন। তবে কি এবার থেকে মিড ডে মিলে মিলবে মাছ ও মিষ্টি?