West Bengal Election 2026: বামফ্রন্ট, আইএসএফের (ISF) হাত ছেড়ে এবারের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে একাই ২৯৪টি আসনে লড়াই করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কংগ্রেস (Congress)। এরপর রাজ্যের তৃতীয় শক্তির জোটের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

West Bengal Election 2026: বামফ্রন্ট, আইএসএফের (ISF) হাত ছেড়ে এবারের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে একাই ২৯৪টি আসনে লড়াই করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কংগ্রেস (Congress)। এরপর রাজ্যের তৃতীয় শক্তির জোটের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বিধানসভা ভোটে বাম, কংগ্রেস, আইএসএফ জোট মাত্র একটা আসনেই জিতেছিল। সেটা ছিল ভাঙড়। বাম, কংগ্রেসের সমর্থনে প্রার্থী হয়ে সেখান থেকে জিতেছিলেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। এবার কংগ্রেস নেই জোটে। তাহলে কি তৃণমূল ছেড়ে নিজের দল গড়া হুমায়ন কবীরের গড়া দল 'জনতা উন্নয়ন পার্টি'-র সঙ্গে আসন সমঝোতা করবে আইএসএফ? মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে হুমায়নের বৈঠকের পর জোর জল্পনা বাম-আইএসএফ-জেইউপি জোট নিয়ে। এই বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন ভাঙড়ের বিধায়ক।

হুমায়নের সঙ্গে জোট গড়বে আইএসএফ?

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নওশাদ জানালেন, " হুমায়ুন কবীরের জেইউপি (JUP)-র সঙ্গে আমাদের জোট বাধা নিয়ে দলের রাজ্য কমিটিতে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকের পরই আইএসএফ ঠিক করবে জেইউপি-র সঙ্গে আসন সমঝোতা হবে কি না, আর যদি হয় সেটা কীভাবে।" এরপর নওশাদ সাফ জানান, " আমাদের দল রাজ্যের ২৯৪টি আসনে লড়ার মত জায়গায় নেই। আমরা ৬০ থেকে ৭০টি আসনে প্রার্থী দেব। আমরা চাইছি অতৃণমূল ও অবিজেপি দলগুলি একসঙ্গে লড়াই করে অরাজকতার অবসান ঘটাব। আমরা জোটের বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি ও আইসিসি-কে চিঠি লিখেছিলাম। কিন্তু কোনও উত্তর পাইনি।"হুমায়নের দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে মুর্শিদাবাদের কিছু আসনে প্রার্থী দিতে পারে ISF। এমন জল্পনা কদিন ধরেই চলছে। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, বাম, হুমায়ন, আইএসএফ ভোট এক জায়গায় পড়লে মুর্শিদাবাদ, মালদা, এমনকী দক্ষিণ ২৪ পরগণার বেশ কিছু আসনে সমস্যায় পড়তে হতে পারে তৃণমূল। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রেজিনগর ও বেলডাঙা থেকে দলের প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছে হুমায়ুন।

দেখুন কী বললেন নওশাদ

Scroll to load tweet…

গতবার বাম, কংগ্রেস, আইএসএফের জোট কেমন ফল করেছিল

২০২১ বঙ্গ বিধানসভা ভোটে সংযুক্ত মোর্চার হয়ে লড়ে আইএসএফ মোট ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১টি-তে জয় পায়। সেখানে বামেরা ১৭৯ (সিপিএম ১৩৮টি)-টি আসনে দাঁড়িয়েও কোনও আসন পায়নি। কংগ্রেস ৯১টি-তে লড়ে খালি হাতে ফিরেছিল। এবার বামেরা আইএসএফকে ৫০টি-র মত আসন ছাড়তে পারে বলে জল্পনা। গতবার ভাঙড়ে বাম, কংগ্রেস সমর্থন পাওয়ায় নওশাদের ২৬ হাজারের বেশি ভোটে জয়ের বিষয়টি সহজ হয়।