আচমকাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন সিভি আনন্দ বোস। আর কদিন পরেই বঙ্গে বিধানসভা ভোট। তার আগে কেন আচমকা পদত্যাগ সিভি আনন্দ বোসের।
Governor CV Ananda Bose Resigns: আচমকাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস। আর কদিন পরেই বঙ্গে বিধানসভা ভোট। তার আগে বঙ্গের রাজভবনের দায়িত্বে আনা হচ্ছে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (RN Ravi)-কে। পশ্চিমবঙ্গের অন্তবর্তীকালীন রাজ্যপাল হচ্ছেন আরএন রবি। অবিজেপি শাসিত তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবি এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হচ্ছেন। এমন কথা জানান মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তামিলনাড়ুতে নানা ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী এনকে স্ট্য়ালিনের সঙ্গে সংঘাত হওয়া আরএন রবির সঙ্গে এবার মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সম্পর্ক কেমন হয় সেটাই দেখার। কেন আচমকা পদত্যাগ করলেন সিভি আনন্দ বোস তা এখনও পরিষ্কার নয়। SIR নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে রাজ্য বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা চলছে। তার মধ্য়ে সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফার পর রাজভবনে আরএন রবির আসা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ঝড় শুরু হয়েছে।
দেখুন নতুন রাজ্যপাল আরএন রবি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়
আনন্দ বোসের পদত্যাগ নিয়ে বঙ্গ মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের-এর আচমকা ইস্তফার খবরে বিস্ময় ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী এক্স পোস্টের মাধ্যমে জানালেন, "রাজ্যপালের পদত্যাগের হঠাৎ খবর পেয়ে আমি হতবাক এবং গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ঠিক কী কারণে তিনি ইস্তফা দিলেন, তা এই মুহূর্তে আমার জানা নেই।"মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, "তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি অবাক হব না, যদি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফে তাঁর ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি হয়ে থাকে।"মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও রাজ্যপালের ইস্তফা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।
কবে থেকে রাজভবনে সিভি আনন্দ বোস
২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব নেন সিভি আনন্দ বোস। নানা ইস্যুতে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সরকারের সমালোচনা করা, শুধু রাজভবনে বসে না থেকে রাজ্যের মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়া, বিপদে পাশে থাকার বার্তা দেন সিভি আনন্দ বোস।
এক নজরে সিভি আনন্দ বোস
কেরলের বাসিন্দা একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার সি. ভি. আনন্দ বোস। তিনি ১৯৭৭ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের আইএএস কর্মকর্তা ছিলেন। প্রশাসনিক জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নানা মন্ত্রকেও দায়িত্ব সামলেছেন। বিশেষ করে আবাসন ও নগর উন্নয়ন সংক্রান্ত ক্ষেত্রে তাঁর কাজ উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল মিউজিয়াম এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্ন্যান্সের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি তিনি একজন লেখক ও চিন্তাবিদ হিসেবেও পরিচিত। ইংরেজি ও মালয়ালম ভাষায় একাধিক বই লিখেছেন তিনি। সুশাসন ও নীতিনির্ধারণ নিয়ে তাঁর আগ্রহ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
(বিস্তারিত আসছে)


