Murshidabad BJP News: আর মাত্র মাস চারেক বাকি। তারপরই রাজ্যে বেজে যাবে বিধানসভা ভোটের দামামা। ভোটের আগেই জেলায়-জেলায় বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এখন থেকেই প্রচার শুরু বিজেপির। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Murshidabad News: দেওয়াল লিখনেই ভোটযুদ্ধের দামামা— জঙ্গিপুরে আগাম মাঠে বিজেপি, তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জ৫৮ নম্বর জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটযুদ্ধের দামামা কার্যত বেজে উঠল। শুক্রবার থেকেই জঙ্গিপুর পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে আগাম প্রচারে নেমে পড়ল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই এভাবে মাঠে নেমে পড়া স্পষ্ট করে দিচ্ছে— জঙ্গিপুর দখল করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।
বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু বিজেপি-র:-
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, গত লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর বিধানসভা এলাকায় দলের প্রাপ্ত ভোট আশানুরূপ হওয়ায় তারা আত্মবিশ্বাসী। সেই ফলাফলকে পুঁজি করেই এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে কোনওভাবেই এক ইঞ্চি জমিও ছাড় দিতে নারাজ বিজেপি। লক্ষ্য একটাই— বর্তমান তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনকে হারিয়ে জঙ্গিপুর বিধানসভা ছিনিয়ে নেওয়া।
শুক্রবার সকাল থেকেই বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের তৎপরতায় জঙ্গিপুরের অলিগলি রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিচ্ছে। দেওয়াল জুড়ে উঠছে বিজেপির স্লোগান, বার্তা ও রাজনৈতিক আক্রমণ। প্রার্থী ঘোষণার আগেই এমন আগ্রাসী প্রচার রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতৃত্ব সুরজিৎ দাস তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন,“তৃণমূলের অপশাসন, দুর্নীতি আর উন্নয়নহীনতায় জঙ্গিপুরের মানুষ অতিষ্ঠ। এবার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবে। জঙ্গিপুরে তৃণমূলের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে।”
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে বিজেপির এই আগাম ও আক্রমণাত্মক প্রচার স্পষ্ট করে দিচ্ছে— জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। আগামী দিনে এই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী কলকাতায় আই-প্যাক অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র অভিযানের প্রতিবাদে শুক্রবার রাজধানীতে টিএমসি-র বিক্ষোভের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ইডি তল্লাশি চালালে টিএমসি প্রতিবাদের প্রয়োজন বোধ করে, কিন্তু সাংসদরা 'বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের' জন্য কখনও প্রতিবাদ করেননি।
অধীর চৌধুরীর মতে 'বাংলাদেশী' তকমা দিয়ে রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর বারবার ভিনরাজ্যে আক্রমণ করা হয়েছে। তাদের 'পালাতে বাধ্য করা হয়'। কিন্তু তারপরই এই বিষয় নিয়ে নিশ্চুত তৃণণূল কংগ্রেস।
এএনআই-কে অধীর বলেন, “হয়তো তাদের (টিএমসি) দলের কয়েকজন সাংসদ এখনও দিল্লিতে আছেন। গতকালের ঘটনার পর তারা মনে করেছেন যে তাদের প্রতিবাদ করা উচিত। আমার প্রশ্ন হল, যখন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করতে যান এবং বাংলাদেশী অজুহাতে আক্রান্ত হন, তাদের পালাতে বাধ্য করা হয়, তখন আমরা টিএমসি দলের পক্ষ থেকে সংসদের ভিতরে বা বাইরে কোনও প্রতিবাদ দেখিনি।
এখন, যেহেতু ইডি ব্যবস্থা নিয়েছে, তারা মনে করছে তাদের প্রতিবাদ করা উচিত। এটাকে শুধুমাত্র নির্বাচনী সুবিধা খোঁজা বলা যেতে পারে।” অধীর চলমান বিক্ষোভকে টিএমসি-র 'নির্বাচনী সুবিধা' আদায়ের একটি উপায় হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


