এক দিনের নোটিশ দিয়েই সামাজিক বিয়ে আইনের খাতায় নথিভুক্ত করা যাবে। আইন দফতরে এই বিষয়ে কাজ করতে পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য সরকার। 

নব দম্পতিরদের ঝক্কি কমাতে বডড পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর এবার থেকে সামাজিক বিয়ে বা হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী বিয়ে করলে মাত্র এক দিনের মধ্যেই রেজিস্ট্রে সেরে ফেলতে পারবেন নব দম্পতি। রাজ্য সরকারের নির্দেশে এই বিষয়ে রীতিমত কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের আইন দফতর। চৎকাল রেজিস্ট্রি বলেও বিষয়টিকে দাবি করা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এতদিন পর্যন্ত হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী বা সামাজিক বিয়ে করার পর দম্পতিকে রেজিস্ট্রি করার জন্য অর্থাৎ আইনি খাতায় নথিভক্ত করার জন্য ৭ দিন অপেক্ষা করতে হত। বিয়ের ৮ দিন পরে দম্পতি নাম নথিভুক্ত করতে পারত। কিন্তু এবার থেকে আর এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে না। বিয়ের মাত্র এক দিনের মধ্যেই নাম আইনিখাতায় মথিঙুক্ত করা যাবে। বর্তমানে দিল্লিতে এই নিয়ম চালু হয়েছে। এবার দিল্পির পথেই হাঁটতে চলেছে বাংলা।

বর্তমানে যে নিয়ম চালু রয়েছে তাতে যদি কোনও নবদম্পতি রেজিস্ট্রি করতে চায় তাহলে তাদের কমপক্ষে ৩০ দিন আগেই আবেদন করতে হয়। স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের ১৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী আবেদনপত্রে পাত্র-পাত্রীর নাম পরিচয় একই সঙ্গে বয়েসের প্রমাণপত্র দিয়ে আবেদন জানাতে হয়। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে এতটা সময় লাগবে না। নথি জমা দিয়ে এক দিনের মধ্যেই বিয়ে সেরে নিতে পারবে দম্পতি। তবে এই ব্যবস্থা শুধুমাত্র কার্যকর হবে হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী।

রাজ্য আইন দফতর সূত্রের খবর এই বিষয়ে কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। আরও কয়েকটি প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। সেগুলি শেষ করে প্রস্তাব আকারে তা পাঠান হবে রাজ্য মন্ত্রিসভার কাছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা তা পাশ করলে আইন হিসেবে চালি করা যাবে। সবে এই সংক্রান্ত সার্কুলার বিয়ে যারা নথিভক্ত করেন তাদের কাছে পাঠান হবে। সেখানে তৎকাল বিয়ের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখার পরই তা চালু করা যাবে। আইন দফতর সূত্রের খবর ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে এক দিনের নোটিশে রেজিস্ট্রি বিয়ে চালু করা যাবে। এই বিবাহের জন্য অনলাইনের মাধ্যমেও আবেদন জানান যাবে। পাশাপাশি বিদেশে থাকা ভারতীয়রাও এই পরিষেবা পাবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই এই বিষয়টি চূড়়ান্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ

'খাবার জল নেই, বাড়ি নেই, ত্রিপল চেয়েও পাইনি, ভোট প্রচারে অনুব্রত-হীন বীরভূমে ক্ষোভের মুখে শতাব্দী

পিরামিডের দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, গিজার পিরামিড খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন তিনি

'রাজভবনকে বিকল্প সরকারি কার্যালয় বানিয়েছে বিজেপি', পাটনায় বিরোধী বৈঠকের পর কড়া বার্তা মমতার