সিবিআই সূত্রের খবর ওএমআর শিট দুর্নীতিকাণেডে সার্ভার-হ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠাতে পারে সিবিআই। 

নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ওএমআর শিটের খোঁজে তৎপর সিবিআই। পরপর দুই দিন এস বসু রায় কোম্পানিতে তল্লাশি চালাল সিবিআই-এর প্রতিনিধি দল। সূত্রের খবর ওমএমআর শিট সংক্রান্ত সার্ভার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের তথ্য হাতে পেতেই সিবিআই হন্যে হয়ে ঘুরছে। সূত্রের খবর এস বসু রায় কোম্পানির সার্ভার-সহ ডিভাইস উদ্ধার হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। এখান থেকে কিছু তথ্য উদ্ধারের চেষ্টায় রয়েছে সিবিআই। তবে সূত্রের খবর ডিভাইস থেকে কিছু তথ্য মুছে ফেলার চেষ্টা হতে পারে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সিবিআই সূত্রের খবর ওএমআর শিট দুর্নীতিকাণেডে সার্ভার-হ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠাতে পারে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি সার্ভার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে বেশ কিছু তথ্য ডিলিটের আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই এগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠান হচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ সিবিআই এস বসু রায় কোম্পানির অফিসে সাইবার এক্সপার্টদের নিয়ে গিয়েছিল। তারাও ডিভাইস ও সার্ভার খতিয়ে দেখেছে। তাদের অনুমান সেখান থেকে প্রচুর তথ্য ডিলিট করা হয়েছে। তাই ফরেন্সিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিনও সিবিআই এর একটি দল দক্ষিণ কলকাতার এস বসু রায় কোম্পানির অফিসে যায়। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালায়। সূত্রের খবর এখনও পর্যন্ত সেখান থেকে দুটি সার্ভার উদ্ধার করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সার্ভার রয়েছে বলেও সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রের খবর সাবাইর এক্সপার্টদের নিয়ে তল্লাশি চালান হয়। সেসব সার্ভার রয়েছেস সেখানে পরীক্ষা সেগুলি পরীক্ষা করে দেখা হয়। সার্ভারগুলিতে কী কী ডেটা রয়েছে পরীক্ষা করে দেখা হবে। পাশাপাশি সার্ভারগুলি থেকে কী কী ডেটা ডিলিট করা হচ্ছে তাও খতিয়ে দেখা হবে।

অন্যদিকে আগেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের নির্দেশেই নষ্ট করে ফেলা হয়েছিল ওএমআর শিট নষ্ট করে ফেলা হয়েছিল বলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদ কলকাতা হাইকোর্টে জানিয়েছিল। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছে,প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদ। যদিও বোর্ডের এই তথ্য পেশ করার পরই যথেষ্ট বিষ্ময় প্রকাশ করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার নিয়োগ দুর্নীতির মামলার শুনানি চলছিল। সেই সময়ই ওএমআর শিট নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদ।