অভিযোগ আরেক তৃণমূল নেতা ও বিধায়কের নামে। হাওড়ায় নিজের রেস্তোরা লাগোয়া পরপর ফাঁকা জমি দখলের চেষ্টার করছেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, এই মর্মেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

সন্দেশখালি জুড়ে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের জমি ও ভেড়ি দখলের সন্ত্রাস এখনও টাটকা মানুষের মনে। এরই মধ্যেই নতুন করে আরেক অভিযোগ আরেক তৃণমূল নেতা ও বিধায়কের নামে। হাওড়ায় নিজের রেস্তোরা লাগোয়া পরপর ফাঁকা জমি দখলের চেষ্টার করছেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, এই মর্মেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। নিজের রেস্তরাঁর আশপাশের একাধিক বাসিন্দার ব্যক্তিগত জমিতে নজর পড়েছে তার। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কোথাও পাঁচিল দেওয়ার জন্য মাটি খোঁড়া হয়েছে, কোথাও কলম তোলার কাজ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগে ফের কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ, একের পর এক ফাঁকা জমি দখলের চেষ্টা করছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। বারবার এই নিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো সুরাহা হয়নি। কোনো পদক্ষেপই নেয়নি পুলিশ। এরপরই অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

নিজেদের জমি বাঁচাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ৭৩ বছরের বৃদ্ধা রেখা দাস ও তারকনাথ জয়সওয়াল নামে দুই বাসিন্দা। হাইকোর্টে দুটি পৃথক মামলা করেন তারা। মামলাটি যায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে। তাঁদের দাবি বিধায়কের বিরুদ্ধে চ্যাটার্জি হাট থানা কাছে এই নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে পুলিশের তরফে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তবে পুলিশের দাবি, দুটি অভিযোগের তদন্ত করা হয়েছে। অভিযোগ অসত্য। ওদিকে মামলাকারীদের অভিযোগ, নিজেদের জমি দখলে বাধা দেওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তুলে নিতে বাড়িতে গিয়ে একদল দুষ্কৃতী হুমকি দিয়ে এসেছে! রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন তারা।

মামলায় যুক্ত করা হয়েছে হুমায়ূন কবীরকে। তবে গতকাল মামলার শুনানিতে বিধায়কের হয়ে কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিধায়কের প্রতিনিধিকে হাজির থাকার পাশাপাশি পুলিশকে সামগ্রিক ভাবে দুটি অভিযোগের বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২০ জুন। আগামী শুনানিতে যাতে তার প্রতিনিধি হাজির থাকে সেই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।