বঙ্গবিরোধী বিমাতৃসুলভ বাজেট। বাংলার প্রতি বঞ্চনা অব্যাহত। বিজেপি সরকার যে বঙ্গ বিরোধী সেটা এই বাজেট আরো একবার প্রমাণ করলো। বাজেট নিয়ে এমনটাই বলেন টিএমসি নেতা কুণলা ঘোষ। 

বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বাজেট নিয়ে রীতিমত হতাশ। তাই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন বাংলার জন্য তেমন কিছুই নেই বাজেটে। আর সেই কারণেই ২০২৬-এর পরে এই রাজ্য থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলেও জানিয়েছেন কুণাল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া

বঙ্গবিরোধী বিমাতৃসুলভ বাজেট। বাংলার প্রতি বঞ্চনা অব্যাহত। বিজেপি সরকার যে বঙ্গ বিরোধী সেটা এই বাজেট আরো একবার প্রমাণ করলো। বাংলার প্রাপ্যের কথা নেই বাংলার ঘোষণার কথা নেই কথা নেই,আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই তার বক্তব্য জানিয়েছেন।২০২১ সালে হেরে যাওয়ার পর প্রতিহিংসা পরায়ন ভাবে কতগুলি খাতে দশটা নয়া পয়সা দেয়নি।কেন্দ্রীয় সরকার একটা শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারেনি।বঙ্গবিরোধী বিজেপির বঙ্গবিরোধী বাজেট। হলের টাকা নেই হকের প্রকল্প নেই। কৃষিজীবী শ্রমজীবী নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্তের জন্য জঘন্য বাজেট।মধ্যবিত্তের উপর চাপ বাড়বে। এর জবাব ২০২৬ এর নির্বাচনে পাবে।বাংলা থেকে বিজেপি মুছে যাবে আড়াইশোর বেশি সিট নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

বাজেট নিয়ে অভিযোগ

অন্যদিকে বাজেট নিয়ে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বাংলার জন্য বাজেটে তেমন কিছু নেই বলে অভিযোগ দুজনেরই। বাজেট হতাশ করেছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। নির্মলা সীতারামন বারাণসী ও শিলিগুড়ির মধ্যে একটি সহ সাতটি উচ্চ-গতির রেল করিডোরের প্রস্তাব করেন এবং বলেন যে সরকার পূর্ব ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ডানকুনি থেকে পশ্চিম ভারতের গুজরাটের সুরাত পর্যন্ত সংযোগকারী নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোর স্থাপন করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে "নির্লজ্জ মিথ্যা" ছড়ানোর অভিযোগ করেন। তিনি পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "তারা তিনটি করিডোরের কথা ঘোষণা করেছে, আমরা ইতিমধ্যেই ছয়টি ঘোষণা করেছি। তিনটি করিডোর সম্পর্কে তারা যা বলেছে তা সম্পূর্ণ আবর্জনা। নির্লজ্জ মিথ্যা। এটি ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন আছে এবং আমরা সেখানে কাজ শুরু করেছি। পুরুলিয়ার জঙ্গলমহল জঙ্গল সুন্দরী প্রকল্পে এই অর্থনৈতিক করিডোরের জন্য ৭২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। তারা বাংলাকে একটি পয়সাও দেয়নি। একটিই কর আছে, জিএসটি।"