চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার এক বছর পরও মিল ছিল না পেনশন,গ্রাচুইটির টাকা। দিদিকে বলোতে ফোন করেই অবশেষে মিলল সমাধান। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও চালু হয়নি পেনশন। মেলেনি গ্র্যাচুইটির টাকা। দীর্ঘ হয়রানির পর ভুক্তভোগী মহিলা সাফাইকর্মী ফোন করলেন- দিদিকে বলোতে। সেখানে জানানোর কুড়ি দিনের মধ্যেই মিলল সমস্যার সমাধান। চালু হল পেনশন ,পেলেন গ্রাচুইটির টাকা। ঘটনার সাক্ষী থেকেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা টাউন এলাকা। 
 
পেনশন চালু হলেও টাকা হাতে পাচ্ছিলেন না পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত সাফাইকর্মী ।  মিলছিল না গচ্ছিত গ্র্যাচুয়িটির টাকা। অবশেষে দিদিকে বলো নম্বরে ফোন করে  টাকা পেল  চন্দ্রকোনা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড লছিপুর এলাকার বাসিন্দা বাদলী দাস। সপ্তাদুয়েক আগেই দিদিকে বলো নম্বরে ফোন করে সমস্যার কথা জানান বাদলী দেবী। বাদলী দেবীর দাবি,দিদিকে বলো নম্বরে ফোন করতেই  সমস্ত তথ্য জানতে চান ওপ্রান্তের ব্যক্তি। আমি আমার সমস্ত তথ্য জানানোর পর আমাকে আশ্বাস দেওয়া হয় সমস্যা সমাধানের। বলা হয় পৌরসভায় গিয়ে খোঁজ নিতে ।

ওই নম্বরে ফোন করার কুড়ি দিনের মাথায় সমস্যার সমাধান হয়। পৌরসভায় ঘুরে ঘুরে কিছু না হলেও দিদিকে বলোয় ফোন করে সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি বাদলী দেবী। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের অগস্টের ১ তারিখে অবসর নেন মহিলাা সাফাইকর্মী বাদলী দাস। অবসরের পর ২০১৯ সালের জুন মাসে চালু হয় পেনশন। মাঝের সময়ে হাতে কোনও টাকা না থাকায় বাদলী দেবীকে সাহায্য় করে পৌরসভা। তাঁর আর্থিক অবস্থা দেখে পৌরসভার নিজস্ব ফান্ড থেকে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হতো। কিন্তু পেনশন চালুর পর সেটা বন্ধ হয়ে যায়। অবসরের পর গ্র্যাচুয়িটির টাকা না পাওয়ায় পৌরসভার দ্বারস্থ হন বাদলী দাস। গ্র্যাচুয়িটির টাকা না মেলায়, দিদিকে বলো নম্বরে ফোন করে সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি বাদলী দাসের পরিবার। এ বিষয়ে চন্দ্রকোনা পৌরসভার চ্যেয়ারম্যান অরুপ ধাড়া বলেন, ওনার কাগজপত্রের একটা সমস্যা ছিল, তাই টাকা পেতে একটু সময় লেগেছে।