আশিষ মণ্ডল, বীরভূম:  দোকান থেকে কে আগে মুড়ি আগে কিনবে? সেই নিয়ে বচসা বেঘোরে প্রাণ গেল যুবকের।  এক মহিলা-সহ চারজন তাঁকে 'পিটিয়ে খুন' করল! ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের নলহাটিতে। অভিযুক্তেরা পলাতক।

আরও পড়ুন: করোনা রোধে এবার লকডাউন ভূটানেও, সীমান্ত বাণিজ্য় বন্ধ উত্তরবঙ্গে

মৃতের নাম বিধান লেট। বাড়ি, নলহাটির আট গ্রামে। পেশায় তিনি ছিলেন দিনমজুর। বিয়ে করেছিলেন মাস খানেক আগে। তবে মানসিকভাবে কিছুটা অবসাদগ্রস্থ ছিলেন বিধান। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, রবিবার আট গ্রামে নামু পাড়ায় একটি দোকান থেকে মুড়ি কিনতে যান তিনি। মুড়ি আগে-পরে নেওয়া নিয়ে স্থানীয় এক গৃহবধূর সঙ্গে বচসা হয়। তখনমতো মতো ঝামেলা মিটেও যায়। এরপর সন্ধ্যাবেলায় বেশ কয়েকজনকে নিয়ে ওই গৃহবধূর স্বামী বিধানের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ।  স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বাড়ির চিলেকোটার ঘর থেকে বিধানকে মারতে মারতে রাস্তায় বেরিয়ে করে আনা হয়। এরপর রাস্তায় ফেলে তাঁর গোপনাঙ্গে লাথি মারতে থাকে অভিযুক্তেরা। মারে চোটে একসময় জ্ঞান হারান আক্রান্ত যুবক। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে তখন হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: আট ঘণ্টা পর এল 'মমতার ফ্রি অ্যাম্বুল্য়ান্স', নাকাল প্রসূতির পরিবার

এদিকে এই ঘটনার পর বিধান লেটকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় নলহাটি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখান থেকে সোমবার সকালে রোগীকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। গভীর রাতে মারা যান বছর পঁচিশের ওই যুবক। মা নির্মলা লেট বলেন, 'ছেলেকে সবার সামনে নৃশংস ভাবে খুন করল বীরবল লেট তার ছেলে মিলন লেট, বউমা অপর্ণা লেট, আত্মীয় মধু লেট ও হেমন্ত লেট। আমরা ওদের ফাঁসি চাই।' ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্তেরা। তাদের বাড়িতে তালা ঝুলছে।