২০১৯-২০ ফুটবল মরসুম শেষ হওয়ার আগেই মোহনবাগান ক্লাব ঘোষণা করে দিয়েছিল পরের মরসুমে এটিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে চলেছে তারা। পরে আনুষ্ঠানিত ঘোষণাও করা হয়। গতবছর চুক্তিবদ্ধ দুই দলই জিতেছে তাদের লিগ। আইলিগ জিতেছ মোহন বাগান ও আইএসএল জিতেছে এটিকে। তারপর থেকেই করোনা ভাইরাস ও লকডাউনের কাণে স্তব্ধ হয়ে রয়েছে ময়দান। কিন্তু জল্পনা চলছিলই পরের মরসুমে এটিকে ও মোহনবাগানের চুক্তি বদ্ধ হওয়া দলের নাম কি হবে। দলের জার্সির রং কি হবে এই সব নিয়ে। অবশে জল্পনা, কল্পনার মধ্যেই ইঙ্গিত মিলল পরের মরসুমে কি হতে চলেছে এটিকে মোহনবাগানের জার্সির রং।
আরও পড়ুনঃফুটবল বিশ্বে বড় খবর,অবসর ভেঙে মাঠে ফিরছেন রোনাল্ডিনহো
জার্সির রংয়ের জন্যই মোহনবাগান পরিচিত সবুজ-মেরুন শিবির হিসেবে। অন্যদিকে, এটিকের জার্সির রং লাল-সাদা। এটিকে মোহনবাগানের নবগঠিত বোর্ডের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, বাগানের ঐতিহ্যকে কোনওভাবেই খাটো করা হবে না। তাই হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে নতুন দল দুরকম জার্সি ব্যবহার করতে পারে। এক্ষেত্রে, হোম ম্যাচের জন্য সবুজ-মেরুন এবং অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য লাল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নামতে পারেন এটিকে-মোহনবাগানের ফুটবলাররা। প্রাথমিকভাবে এই যুক্তিতে সায় দিয়েছে দুই তরফের কর্তারা। সূত্রের খবর, মোহনবাগান, এটিকে দু’টো ক্লাবেরই প্রতীক রাখার সম্ভাবনা প্রবল।
আরও পড়ুনঃট্রাক্টর আগেই কিনেছিলেন,এবার কৃষিকাজ শুরু করলেন ধোনি,ভাইরাল ভিডিও
এটিকে-মোহনবাগান নতুন বোর্ডের অন্যতম কর্তা সৃঞ্জয় বসুর কথায়, ‘‘ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চার রকমের জার্সি রয়েছে। সব জার্সির রং কিন্তু এক নয়। ইস্টবেঙ্গলও নীল জার্সি পরে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলেছে। গত দশ বছরে মোহনবাগানেও একাধিক বার অ্যাওয়ে জার্সির রং বদল হয়েছে।’’ এর পরেই তিনি যোগ করেছেন, ‘‘মোহনবাগানের ঐতিহ্য কোনও ভাবেই ক্ষুন্ন করা হবে না। ক্লাবের প্রতীক ও জার্সির রং কী ভাবে ব্যবহার করা হবে, তা আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।’’ এটিকে-মোহনবাগান নতুন কোম্পানি নথিভুক্ত করার কাজ শেষ। পাঁচ সদস্যের বোর্ডে এটিকের তিন প্রতিনিধি রয়েছেন। মোহনবাগানের তরফে রয়েছেন দু’জন। সূত্রের খবর, নতুন ক্লাবের ওয়েবসাইট তৈরির প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু নতুন বোর্ডের বৈঠক হওয়ার আগে সরকারি ভাবে কোনও কিছুই বলতে রাজি নন কর্তারা। জানা গিয়েছে জুলাই মাসের শুরুর দিকেই এই বৈঠক হওয়ার কথা।