'উন্নত বাংলা' গড়ার ডাক অযোধ্যার সাধুদের, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগেই সওয়াল বিজেপির পক্ষে

Saborni Mitra   | ANI
Published : Apr 28, 2026, 08:37 PM IST
BJP Flag picAyodhya Seers Back Developed Bengal Vision Criticize TMC Misrule Ahead of Polls

সংক্ষিপ্ত

Ayodhya Seers: দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে 'উন্নত বাংলা' গড়ার পক্ষে সওয়াল করলেন অযোধ্যার সাধুরা। মঙ্গলবার তাঁরা এই বিষয়ে মুখ খোলেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন সাধুরা। 

 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের জন্য বিশেষ বার্তা দেওয়ার পরেই রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে 'উন্নত বাংলা' গড়ার পক্ষে সওয়াল করলেন অযোধ্যার সাধুরা। মঙ্গলবার তাঁরা এই বিষয়ে মুখ খোলেন।

সাধু বরুণ দাস জি মহারাজ বলেন, "এবারের ভোটের আবহাওয়া বেশ উত্তপ্ত। বাংলার নির্বাচন এবার গোটা দেশের নজর কেড়েছে।" সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকেত ভবনের প্রধান সীতারাম দাস জি মহারাজ বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার শেষ। এই দফায় মানুষের একমাত্র উদ্দেশ্য হল তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসন ও অরাজকতা থেকে মুক্তি পাওয়া।"

বিপ্লবী সাধু হিসেবে পরিচিত বরুণ দাস জি মহারাজও একই সুরে বলেন, ভোটের উত্তাপ যথেষ্ট এবং বাংলার নির্বাচন এবার সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি আরও বলেন, "বাংলা তো মা চণ্ডীর দেশ, মা দুর্গার দেশ। বাংলা সংস্কৃতির পীঠস্থান। আপনি দেশের যেখানেই যান, দেখবেন হাতে গোনা কয়েকজন বাঙালি থাকলেও সেখানে একটা স্বতন্ত্র বাঙালি সংস্কৃতি রয়েছে। সেখানে মা দুর্গার মন্দির থাকবে, একটা আলাদা সাংস্কৃতিক পরিবেশ থাকবে, বিশেষ খাবারের ঐতিহ্য থাকবে। এই সবকিছু মিলিয়েই একটা চেনা সাংস্কৃতিক পরিচয় তৈরি হয়।"

অতীতের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বরুণ দাস জি মহারাজ জোর দিয়ে বলেন, "বাংলা ঐতিহাসিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং বিপ্লবের আঁতুড়ঘর হিসেবে কাজ করেছে। এই মাটি থেকেই স্বামী বিবেকানন্দ সনাতন ধর্মের পতাকা সারা বিশ্বে তুলে ধরেছিলেন। আবার এখান থেকেই সুভাষচন্দ্র বসু দেশের মুক্তির জন্য লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।" তিনি যোগ করেন, "তাই এই নির্বাচনে বাংলা সবার নজর কাড়ছে। ভোটাররা অবশ্যই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেবেন এবং ৪ মে ফলাফল দেখা যাবে।"

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, "আসল 'উন্নত বাংলা' গড়তে হলে তো বাংলাদেশকে এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ভারত সরকার যদি বাংলাদেশকে সঙ্গে আনতে পারে, তবেই সত্যিকারের উন্নত বাংলা গড়া সম্ভব। যদি ১৯৫০ সালের আগের 'সোনার বাংলা' ফিরে পেতে হয়, তবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গকে এক না করা পর্যন্ত তা হবে না। এই কারণেই এই অঞ্চলের নাম 'পশ্চিমবঙ্গ'। কারণ, আজকের বাংলাদেশ (পূর্ব পাকিস্তান) ছিল ঐতিহাসিক বাংলার পূর্বাংশ।"

তিনি আরও বলেন, "যদিও এখন ভারতে একটাই বাংলা রয়েছে, তবুও এই ঐতিহাসিক সত্যকে মানুষের মনে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই এর নাম 'পশ্চিমবঙ্গ' রয়ে গেছে। প্রত্যেক বাঙালির মনের গভীরে একটা চাপা কষ্ট আছে। যে মাটিতে অনুকূল ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্রের মতো মহান ব্যক্তিত্বরা জন্মেছিলেন, সেই পূর্ববঙ্গকে কেন পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হল? সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক বিশাল পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও পূর্ববঙ্গকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া উচিত হয়নি।"

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Indian Weather: ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি? এই রাজ্যে ঝড়বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি
Salim Dola: আন্তর্জাতিক মাদক সম্রাট সেলিম দোলা ভারতে, দাউদ ঘনিষ্ঠ ড্রাগ মাফিয়ার সম্পত্তি চমকে দেবে