CJP Vs Delhi Police: জনপথে কেন ধর্নার অনুমতি নয়? অবশেষে কারণ জানাল দিল্লি পুলিশ

Published : Oct 11, 2026, 07:44 PM IST

Delhi Police: জনপথে ধর্নার অনুমতি না দেওয়া এবং সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপককে আটক করা নিয়ে এবার মুখ খুলল দিল্লি পুলিশ। ডিসিপি নেহা যাদব জানিয়েছেন, আগের বিক্ষোভগুলোতে ভাঙচুর ও পাথর ছোড়ার ইতিহাস থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

PREV
17
কেন CJP-কে আন্দোলনের অনুমতি নয়?

দিল্লি পুলিশ এবার রাজধানীতে সাম্প্রতিক অশান্তি এবং ধরপাকড় নিয়ে মুখ খুলল। গত ১০ অক্টোবর পুলিশ ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) নেতা অভিজিৎ দীপক এবং তাঁর দুই সঙ্গীকে আটক করে। দিল্লি পুলিশের ডিসিপি নেহা যাদব এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

27
ধর্নার আগে আটকের কারণ

জনপথে একটি ধর্না কর্মসূচির ঠিক আগেই পুলিশ তাঁদের আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা এই ধর্নার জন্য কোনও অনুমতি নেননি। পাশাপাশি, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আগে নিয়ম ভাঙার রেকর্ডের কারণেই প্রশাসন এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি।

37
আগের আন্দোলনে অশান্তির ইতিহাস

ডিসিপি নেহা যাদব জানান, এই গোষ্ঠী এর আগে যেসব বিক্ষোভ করেছিল, সেখানে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল। দেদার পাথর ছোড়া, আগুন লাগানো এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার মতো ঘটনা ঘটেছিল। এমনকি, তারা আইনি নির্দেশিকাও মানেনি।

47
নিরাপত্তায় জোর দিতেই ১৩৩ ধারা জারি

প্রশাসন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং সম্পত্তি রক্ষার কথা মাথায় রেখে দিল্লির বেশ কয়েকটি এলাকায় বিএনএসএস (BNSS)-এর ১৩৩ ধারা জারি করেছে। এর ফলে বিনা অনুমতিতে জমায়েত বা বিক্ষোভ পুরোপুরি নিষিদ্ধ।

ডিসিপি যাদব বলেন, "সঠিক নিয়ম না মানা, আগে আইন ভাঙার ইতিহাস এবং বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা ভেবেই জনপথে ধর্নার অনুমতি দেওয়া হয়নি। দিল্লির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তি বাঁচাতে শহরের বেশ কিছু এলাকায় বিএনএসএস-এর ১৩৩ ধারা জারি করা হয়েছে। যে কোনও ধরনের জমায়েত বা বিক্ষোভ এখন নিষিদ্ধ।"

57
অভিজিৎ দিপকেকে আটক ও তাঁর ঠাকুমার মৃত্যুতে পুলিশের ভূমিকা

অভিজিৎ দিপকেকে আটক করার পর তাঁর জীবনে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। সেই সময়ে পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেটাও স্পষ্ট করেছেন ডিসিপি। পুলিশ আধিকারিকরা অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর কাছে যান। তাঁরা তাঁকে এই দুঃসংবাদ দেন এবং সবরকম সাহায্যের প্রস্তাব দেন।

ডিসিপি যাদব বলেন, "সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা তাঁর কাছে যান। তাঁকে খবরটি দেওয়া হয় এবং সবরকম সাহায্যের কথা বলা হয়। ফ্লাইট বুকিং, ফোন করা বা অন্য কোনও সাহায্য লাগবে কি না, তা অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চান কি না, সেটাও বারবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি।" পুলিশ তাঁকে যাতায়াত বা যোগাযোগের বিষয়ে সাহায্য করতে চাইলেও তিনি তা ফিরিয়ে দেন।

67
অভিজিৎ দিপকের প্রতিক্রিয়া

এদিকে, সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপক রবিবার স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তাঁদের আন্দোলন চলবে। ব্যক্তিগত শোক বা রাজনৈতিক চাপ, কোনও কিছুই তাঁকে দমাতে পারবে না।

দীপক এক্স (X) হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, "আমরা এমন কোনও বন্ডে সই করিনি যেখানে লেখা আছে যে আমরা আর বিক্ষোভ করব না। আমরা আবার রাস্তায় নামব।"

পরিবারে এমন শোকের আবহ থাকলেও এই নেতার গলায় লড়াইয়ের সুর স্পষ্ট। উল্লেখ্য, অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমা সাবিত্রীবাই শঙ্কররাও দীপক ৮৫ বছর বয়সে মারা গিয়েছেন।

77
CJP-র সাংবাদিক বৈঠক

অন্যদিকে, দলের শীর্ষ নেতারা ছাড়া পাওয়ার পর সিজেপি আজ দিল্লিতে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে। সিজেপি কর্মী অভিজিৎ ডিপকে লেখেন, "প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদী ভারতের জন্য লজ্জার। এই দেশ এর আগে এত বড় কাপুরুষ এবং গুন্ডা দেখেনি।" আরেক সিজেপি কর্মী আশুতোষ রাঙ্কা এক্সে লেখেন, "জ্ঞানেশ কুমার একজন দেশদ্রোহী। তাঁকে পদত্যাগ করতেই হবে। এই ধরনের দেশদ্রোহীদের সরাতে আমি সারা জীবন জেলেও কাটাতে রাজি আছি।"

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories