Digital Birth Certificate: ডিজিটালাইজেশনের যুগে এখন দেশজুডে় সবকিছুতেই ডিজিটাল। এবার জন্মের শংসাপত্র ডিজিটাল করার ওপর জোর দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু কীভাবে ডিজিটাল করবেন আপনার বার্থ সার্টিফিকেট? জানুন আবেদনের সম্পূর্ণ পদ্ধতি।।
ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় বর্তমানে বার্থ সার্টিফিকেট ভোটার কার্ডের মতোই অন্যতম একটি প্রধান গুরুত্বপূর্ণ কাগজ। কারণ, যে কোনও সরকারি কাজে বার্থ সার্টিফিকেট দেখাতে না পারলে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে। শুধু তাই নয়, যাদের ভোটের কার্ড নেই বা ১৮ বছরের কম বয়স তাদের জন্য জন্মের শংসাপত্র একটি প্রধান ডকুমেন্টসও বটে। তবে অনেকসময় এই ডকুমেন্ট অনেকেই হারিয়ে ফেলেন। ফলে ডুপ্লিকেট কপি পেতে সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট থাকলে এত ঝামেলা আর পোহাতে হয় না।
26
কেন ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট জরুরি?
বর্তমানে ডিজিটাল আধার কার্ড, ভোটার কার্ড তৈরির পাশাপাশি এখন ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট তৈরিতেও জোর দিয়েছে সরকার। কারণ, এখন বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করে নেওয়াই ভালো। এছাড়া হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্র যাচাই করা খুব সহজ কাজ নয়। তাই এই ধরনের সার্টিফিকেট এখন অনেক সময়ই গ্রহণ করতে চায় না একাধিক সংস্থা। তখন বিপদ বাড়ে। এবং এই কাগজ হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে প্রচুর।
36
ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
কম্পিউটারাইজড ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটে থাকে কিউআর কোড। শুধু তাই নয়, এতে ডিজিটাল সিগনেচারও আপলোড করা থাকে। যার ফলে যে কোনও সরকারি দফতরে সেটা সহজেই স্ক্যান করে সব তথ্য পাওয়া যায়। তাই এখন ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটের চল অনেক বেশি। এবং এটি হারিয়ে যাওয়ারও ভয় থাকে না।