Social Media Ban In India: অনলাইন ক্লাস, ভার্চুয়াল পড়াশোনা। করোনার কালবেলা কেটে গেলও অনলাইনের আসক্তি কমেনি এতটুকুও। যার কুপ্রভাব পড়ছে শিশুমনে। এবার অনলাইনের আসক্তি কমাতে বড় নির্দেশ কেন্দ্র সরকারের। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
প্রাপ্তবয়স্ক না হলে ব্যবহার করা যাবে না সোশ্যাল মিডিয়া। বাচ্চাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার বন্ধের নির্দেশিকা অনেক আগেই জারি করেছে ডেনমার্ক, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলি। এবার সেই একই পথে হাঁটতে চলেছে ভারত। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই ভারতে এই নিয়ম জারি হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে সংসদে জানানো হয়েছে যে, শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি কমাতে এবার অনলাইন ক্লাসের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে চলেছে।
25
নির্দিষ্ট বয়সীদের জন্য অনলাইন ক্লাস
সূত্রের খবর, এবার থেকে অনলাইনে ক্লাস করার জন্য বয়সের সীমারেখা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে সরকারের তরফে। এছাড়াও ভার্চুয়াল জগত সম্পর্কে ধারণা দেওয়া ও ভার্চুয়াল জগতের সুফল-কুফল নিয়ে শিশুমনে ধারণা দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়গুলিকে আহ্বান জানানো হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে।
35
শিক্ষাদানে সহজতর পদ্ধতি
এছাড়াও শিশুদের পাঠক্রম সহজ করতে এবং শিক্ষাদানের ভাষা যাতে সহজেই বোধগম্য হয় এবং শিশুরা যাতে সানন্দে পড়াশোনা করতে পারে তার জন্য শিক্ষার পদ্ধতিও সহজ করার কথা বলে হয়েছে বৃহস্পতিবার সংসদে। সেখানেই উঠে এসেছে বর্তমান শিশু প্রজন্মের অনলাইন আসক্তি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো, গেম খেলার প্রবণতা।
যেহেতু বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে ইন্টারনেটের ক্রয়মূল্য অনেক সস্তা। ফলে ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পরিষেবা সহজলভ্য। অনেক বাবা-মা কাজের চাপে বাচ্চাদের ঠিকমতো সময় দিতে পারেন না। দিনের বেশিরভাগ সময় তাদের হাতে মোবাইল দিয়ে বসিয়ে রাখেন বা অনলাইনে গেম, ভিডিয়ো চালিয়ে দিয়ে শান্ত রাখেন। আর এতেই ক্রমশ বাচ্চা-কিশোরদের মধ্যে বাড়ছে অনলাইনের নেশা। যা দিন দিন ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে।
55
শিশুমনে সোশ্যাল মিডিয়ার কুপ্রভাব
আজকালকার দিনে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে অনেকেই খারাপ কাজ করে ফেলেন। ফলে এতে হিতে বিপরীত হয়। একই সঙ্গে জুয়া ও অনুপোযুক্ত বিজ্ঞাপন সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পরামর্ষ, নির্দিষ্ট স্ক্রিনিং টাইমের। ভার্চুয়াল জগতের বাইরে বিভিন্ন কাজে উৎসাহ জোগানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে সমীক্ষায়। ফলে অনলাইনের ব্যবহার কমলে কমবে হিংসা, হানাহানি, গুরুতর অপরাধের মতো ঘটনা।